ইরানে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বিক্ষোভকারী এরফান সোলতানি জামিন পেয়েছেন। এ জন্য তাঁর পরিবারকে ১২ হাজার ৬০০ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। এরফানের আইনজীবী আমির মুসাখানি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আমির মুসাখানি জানান, গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এরফান জামিন পান। এ সময় তাঁকে মোবাইলফোনসহ ব্যক্তিগত সামগ্রী ফেরত দেওয়া হয়। সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলার সময় গত ১০ জানুয়ারি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এরফান। এর কয়েকদিনের মাথায় তাঁর মৃত্যুদণ্ড দেয় তেহরানের আদালত।
সাজা ঘোষণার পর এরফানের পরিবারকে জানানো হয়েছিল, মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর করা হবে। পরে এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের শাসকদের সতর্ক করেছিলেন। বলেছিলেন, বিক্ষোভকারীর ফাঁসি হলে ওয়াশিংটন সামরিক অভিযানের বিষয়ে ভাববে।
এরফানকে রাজধানী তেহরানের বাইরে কারাজ শহরের একটি আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। গত মাসে ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছিল, ইসলামি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কাজ করার অভিযোগে এরফানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে তা বিভিন্ন প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার শাসকদের উদ্দেশে হুমকি দেন। আর তেহরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে মদদ দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।
ইরানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিক্ষোভে সহিংসতায় ৩ হাজারের বেশি লোক মারা গেছেন। তাদের বেশিরভাগই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৬ হাজার ৭১৩ জন। অধিকাংশই বিক্ষোভকারী। সূত্র: এএফপি
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
আমির মুসাখানি জানান, গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এরফান জামিন পান। এ সময় তাঁকে মোবাইলফোনসহ ব্যক্তিগত সামগ্রী ফেরত দেওয়া হয়। সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলার সময় গত ১০ জানুয়ারি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এরফান। এর কয়েকদিনের মাথায় তাঁর মৃত্যুদণ্ড দেয় তেহরানের আদালত।
সাজা ঘোষণার পর এরফানের পরিবারকে জানানো হয়েছিল, মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর করা হবে। পরে এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের শাসকদের সতর্ক করেছিলেন। বলেছিলেন, বিক্ষোভকারীর ফাঁসি হলে ওয়াশিংটন সামরিক অভিযানের বিষয়ে ভাববে।
এরফানকে রাজধানী তেহরানের বাইরে কারাজ শহরের একটি আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। গত মাসে ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছিল, ইসলামি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কাজ করার অভিযোগে এরফানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে তা বিভিন্ন প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার শাসকদের উদ্দেশে হুমকি দেন। আর তেহরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে মদদ দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।
ইরানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিক্ষোভে সহিংসতায় ৩ হাজারের বেশি লোক মারা গেছেন। তাদের বেশিরভাগই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৬ হাজার ৭১৩ জন। অধিকাংশই বিক্ষোভকারী। সূত্র: এএফপি
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে