রাজধানীর অন্যতম জনবহুল ও অবহেলিত আসন ঢাকা-৯ কে একটি মানবিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জনপদে রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব। নির্বাচনী মাঠে ব্যস্ত সময়সূচির মাঝেও তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ সমস্যা, অধিকার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেছেন।
ঢাকা-৯ এলাকায় বসবাসকারী মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের বাস্তবতা তুলে ধরে হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, এই জনপদের মানুষ প্রতিদিন রাজধানী সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে মৌলিক নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা, আধুনিক শিক্ষা, নিরাপদ চলাচল ও সম্মানজনক জীবনযাত্রা-এসব এখনো তাদের কাছে স্বপ্নের মতো। তিনি বলেন, আমি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের রাজনীতি করতে চাই। মানুষের অধিকার আদায় এবং এই এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই আমি নির্বাচনে এসেছি।
নির্বাচনী অঙ্গীকারে হাবিবুর রশিদ হাবিব ঢাকা-৯ কে মানবিক জনপদে রূপান্তরের লক্ষ্যে তিন দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রথম দফায় তিনি নাগরিক সেবা খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে দুর্নীতি ও ভোগান্তি কমানোর ওপর জোর দেন। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল সংস্কার, প্রয়োজনীয় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ এবং যানজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। দ্বিতীয় দফায় তিনি আধুনিক ও যুববান্ধব ঢাকা-৯ গড়ার কথা উল্লেখ করেন। এ ক্ষেত্রে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা বৃদ্ধি, কারিগরি ও আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ তৈরি এবং নারীদের কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন।
নিরাপত্তা ও সুশাসনকে তৃতীয় দফার মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরে বিএনপি প্রার্থী হাবিব বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে উন্নয়ন অর্থহীন হয়ে পড়ে। চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানান। তিনি আরও বলেন, বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র কাঠামোর রূপরেখার আলোকে ঢাকা-৯ এ একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ নগরী গড়ে তুলতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ কাজে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সমর্থনই হবে তার মূল শক্তি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
ঢাকা-৯ এলাকায় বসবাসকারী মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের বাস্তবতা তুলে ধরে হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, এই জনপদের মানুষ প্রতিদিন রাজধানী সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে মৌলিক নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা, আধুনিক শিক্ষা, নিরাপদ চলাচল ও সম্মানজনক জীবনযাত্রা-এসব এখনো তাদের কাছে স্বপ্নের মতো। তিনি বলেন, আমি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের রাজনীতি করতে চাই। মানুষের অধিকার আদায় এবং এই এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই আমি নির্বাচনে এসেছি।
নির্বাচনী অঙ্গীকারে হাবিবুর রশিদ হাবিব ঢাকা-৯ কে মানবিক জনপদে রূপান্তরের লক্ষ্যে তিন দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রথম দফায় তিনি নাগরিক সেবা খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে দুর্নীতি ও ভোগান্তি কমানোর ওপর জোর দেন। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল সংস্কার, প্রয়োজনীয় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ এবং যানজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। দ্বিতীয় দফায় তিনি আধুনিক ও যুববান্ধব ঢাকা-৯ গড়ার কথা উল্লেখ করেন। এ ক্ষেত্রে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা বৃদ্ধি, কারিগরি ও আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ তৈরি এবং নারীদের কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন।
নিরাপত্তা ও সুশাসনকে তৃতীয় দফার মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরে বিএনপি প্রার্থী হাবিব বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে উন্নয়ন অর্থহীন হয়ে পড়ে। চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানান। তিনি আরও বলেন, বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র কাঠামোর রূপরেখার আলোকে ঢাকা-৯ এ একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ নগরী গড়ে তুলতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ কাজে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সমর্থনই হবে তার মূল শক্তি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন