​তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে : এ্যানি

আপলোড সময় : ৩১-০১-২০২৬ ০৫:৩১:১১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ৩১-০১-২০২৬ ০৫:৩১:১১ অপরাহ্ন
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, একটি দলের এবং একটি পরিবার, জিয়া পরিবারের একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, একজন ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি যদি আরেকজন প্রধানমন্ত্রী হন, বিশ্বের ইতিহাসে এটি বিরল। এটি নতুন ইতিহাস এবং নতুন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। জিয়া পরিবার এদেশের মানুষে কাছে কত প্রিয়, কত সম্পর্কিত, বন্ধন-বন্ধুত্ব, এটা তাদের জনদরদী শাসন ব্যবস্থা দেখেই বুঝা যায়।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ২ ও ১৪ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ্যানি বলেন, ‘আজকে প্রেসিডেন্ট জিয়া নেই, বেগম খালেদা জিয়া নেই। তারা অত্যাচারিত ছিলেন, আবার সম্মানিতও ছিলেন। তারেক রহমান তাদের জ্যেষ্ঠ সন্তান, দীর্ঘদিন অত্যাচার নির্যাতিত হয়ে তিনি নির্বাসিত ছিলেন। বাংলাদেশে আসার পর লাখ লাখ মানুষের সামনে ১৫ মিনিটের বক্তব্য দিয়েছেন। আল্লাহর সাহায্য চেয়েছেন, মায়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন এবং হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর ন্যায় পরায়ণতার আলোকে কিভাবে দেশের সেবা করবেন, মানুষের সেবা করবেন, সেই দোয়া কামনা করেছেন, সহযোগিতা কামনা করেছেন। আজকে মায়ের মতো, পিতার মতো গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া যেভাবে গণমানুষের নেতা হিসেবে গ্রামে গ্রামে ঘুরেছেন, তিনিও পিতার মতো, মায়ের মতো গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন এবং মানুষের দোরগোড়ায় আছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি যদি আমরা সবাই মিলে ধানের শীষে ভোট দেই তাহলে তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন, ইনশাআল্লাহ।  দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর আমরা ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সুযোগ পেয়েছি। এই সুযোগটি আমরা আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তৈরি করেছি। এই দিনটি জাতির সামনে আনার ক্ষেত্রে জনগণ সবচেয়ে বেশি অত্যাচারিত-নির্যাতিত হয়েছেন। এরচেয়ে বেশি অত্যাচারিত-নির্যাতিত হয়েছিল জিয়া পরিবার।’

তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল, আজকে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া তাদেরকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সাধারণ ক্ষমার ঘোষণার সম্মানটা তারা রাখতে পারেননি। তারা স্বাধীনতার সময় মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি পাকহানাদারদের দেখিয়ে দিয়ে তাদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন, গণহত্যা এবং বুদ্ধিজীবী হত্যা, মা-বোনদের ওপর পর্যন্ত নির্যাতন করেছিল।’

এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, সদস্য নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, আবুল হাশেম, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন ও বিএনপি নেতা ইমতিয়াজ আনাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :