ফেনীতে নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়ে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আধিপত্যবাদকে বেগম জিয়া কখনও প্রশ্রয় দেননি। তিনি ছিলেন আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এক লড়াকু সৈনিক। সে জায়গা থেকে আমরা তাকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনী শহরের পাইলট স্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান এ কথা বলেন।
নির্বাচনি জনসভায় ফেনীতে মেডিকেল কলেজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা ঘোষণা দিচ্ছি ১৮ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশের কোনো জেলা মেডিকেল কলেজ থেকে বঞ্চিত হবে না এবং এটি হবে সরকারি মেডিকেল কলেজ। আল্লাহ যদি দেশবাসীর সেবা করার তৌফিক আমাদেরকে দেন, ইনশাআল্লাহ, ফেনী তার পাওনা পেয়ে গর্বিত হবে। ফেনীবাসীকে আশ্বস্ত করে জামায়াত আমির বলেন, এখানে যে বাঁধটির কারণে আপনাদের দুঃখ, সে বাঁধ এখনও নির্মাণ হয়নি। আমরা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করে এর সমাধান খুঁজে বের করব, ইনশাআল্লাহ। কারণ, আমার দেশ রক্ষা করার অধিকার আমার। এই দায়িত্ব আমাকে নিতেই হবে। এই দায়িত্ব অগ্রাহ্য করে আমরা চলতে পারব না।
তিনি বলেন, ফেনীতে মানসম্মত কোনো স্টেডিয়াম নেই। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফেনীর বিশেষ অবদান আছে। এই জেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ দেশের বাইরে থাকেন। ফেনীবাসীকে তাদের পাওনা দেবই, ইনশাআল্লাহ। ফেনী স্টেডিয়ামকে মানসম্মত ও আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে নির্মাণ করা হবে, ইনশাআল্লাহ। ফেনীর জনসভা শেষে ডা. শফিকুর রহমান শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় লক্ষ্মীপুর, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কুমিল্লার লাকসাম এবং সাড়ে ৭টায় কুমিল্লা মহানগরীতে নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেবেন। তিনি রাতে কুমিল্লায় অবস্থান করবেন। পরদিন শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনি জনসভা, এরপর দুপুর ১২টায় নিমসার ও দুপুর ২টায় দাউদকান্দিতে পথসভা শেষে ঢাকায় ফিরবেন তিনি। বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকা-১১ এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেবেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
নির্বাচনি জনসভায় ফেনীতে মেডিকেল কলেজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা ঘোষণা দিচ্ছি ১৮ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশের কোনো জেলা মেডিকেল কলেজ থেকে বঞ্চিত হবে না এবং এটি হবে সরকারি মেডিকেল কলেজ। আল্লাহ যদি দেশবাসীর সেবা করার তৌফিক আমাদেরকে দেন, ইনশাআল্লাহ, ফেনী তার পাওনা পেয়ে গর্বিত হবে। ফেনীবাসীকে আশ্বস্ত করে জামায়াত আমির বলেন, এখানে যে বাঁধটির কারণে আপনাদের দুঃখ, সে বাঁধ এখনও নির্মাণ হয়নি। আমরা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করে এর সমাধান খুঁজে বের করব, ইনশাআল্লাহ। কারণ, আমার দেশ রক্ষা করার অধিকার আমার। এই দায়িত্ব আমাকে নিতেই হবে। এই দায়িত্ব অগ্রাহ্য করে আমরা চলতে পারব না।
তিনি বলেন, ফেনীতে মানসম্মত কোনো স্টেডিয়াম নেই। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফেনীর বিশেষ অবদান আছে। এই জেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ দেশের বাইরে থাকেন। ফেনীবাসীকে তাদের পাওনা দেবই, ইনশাআল্লাহ। ফেনী স্টেডিয়ামকে মানসম্মত ও আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে নির্মাণ করা হবে, ইনশাআল্লাহ। ফেনীর জনসভা শেষে ডা. শফিকুর রহমান শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় লক্ষ্মীপুর, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কুমিল্লার লাকসাম এবং সাড়ে ৭টায় কুমিল্লা মহানগরীতে নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেবেন। তিনি রাতে কুমিল্লায় অবস্থান করবেন। পরদিন শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনি জনসভা, এরপর দুপুর ১২টায় নিমসার ও দুপুর ২টায় দাউদকান্দিতে পথসভা শেষে ঢাকায় ফিরবেন তিনি। বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকা-১১ এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেবেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন