চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে দুই দিনের ধর্মঘটের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও সংগঠনটির সাবেক সিবিএ।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন জানান, ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করা হবে। পরদিন রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) একই সময়ে অপারেশনাল কার্যক্রমের পাশাপাশি বন্দরের সব প্রশাসনিক কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে।
তিনি বলেন, এ সময়ের মধ্যে সরকার যদি এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসে, তাহলে রোববার সংগঠনের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে বিকেল ৫টায় আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
ইব্রাহিম খোকনের অভিযোগ, সারা দেশে নির্বাচনি পরিস্থিতি চলমান থাকার সুযোগ নিয়ে সরকার দেশের অন্যতম কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। তিনি বলেন, ‘গত দেড় বছর ধরে আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু সরকার বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য দেশের স্বার্থ উপেক্ষা করছে।’
এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হলে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব ঝুঁকির মুখে পড়বে বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘এটি একটি চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।’
ধর্মঘট প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতেই এই কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। দাবি মানা না হলে আগামী দিনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর শ্রমিক-কর্মচারি ঐক্য পরিষদ (স্কপ) বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে এই কর্মসূচির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন জানান, ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করা হবে। পরদিন রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) একই সময়ে অপারেশনাল কার্যক্রমের পাশাপাশি বন্দরের সব প্রশাসনিক কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে।
তিনি বলেন, এ সময়ের মধ্যে সরকার যদি এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসে, তাহলে রোববার সংগঠনের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে বিকেল ৫টায় আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
ইব্রাহিম খোকনের অভিযোগ, সারা দেশে নির্বাচনি পরিস্থিতি চলমান থাকার সুযোগ নিয়ে সরকার দেশের অন্যতম কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। তিনি বলেন, ‘গত দেড় বছর ধরে আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু সরকার বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য দেশের স্বার্থ উপেক্ষা করছে।’
এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হলে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব ঝুঁকির মুখে পড়বে বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘এটি একটি চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।’
ধর্মঘট প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতেই এই কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। দাবি মানা না হলে আগামী দিনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর শ্রমিক-কর্মচারি ঐক্য পরিষদ (স্কপ) বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে এই কর্মসূচির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে