​সার সংকটে কুষ্টিয়ার পেঁয়াজ চাষিরা, উৎপাদন খরচ বাড়ার শঙ্কা

আপলোড সময় : ২৯-০১-২০২৬ ১২:৩৮:৫১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৯-০১-২০২৬ ১২:৩৮:৫১ অপরাহ্ন
সার সংকটে পড়েছেন কুষ্টিয়ার পেঁয়াজ চাষিরা। সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার না পাওয়ায় অনেক এলাকায় বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের। এতে বাড়ছে উৎপাদন খরচ, দেখা দিয়েছে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা।

সরজমিনে দেখা যায়, কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিস্তীর্ণ জমিতে পেঁয়াজের আবাদ চলছে। কোথাও কৃষক সার দিচ্ছেন, কোথাও জমি থেকে আগাছা পরিষ্কার করছেন। তবে ভরা মৌসুমেই কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় দেখা দিয়েছে সার সংকট। প্রথম সেচ পর্যন্ত কিছুটা সার মিললেও দ্বিতীয় সেচের সময় অনেক জায়গায় সার পাওয়া যাচ্ছে না।

সঠিক সময়ে ক্ষেতে সার দিতে না পারায় ইতোমধ্যে কিছু জমিতে ফসল বিবর্ণ হতে শুরু করেছে। কৃষকদের আশঙ্কা, সময়মতো সার না পেলে পেঁয়াজের ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে সরকার নির্ধারিত দামে সার না পেয়ে অনেক কৃষককে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে, যা তাদের উৎপাদন খরচ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

কৃষকরা বলছেন, সার ছাড়া শুধু পানি দিলে কোনো লাভ হয় না। নির্ধারিত দামে সার চাইলেও তারা তা মিলছে না। অথচ দ্বিগুণ দাম দিলে সহজেই সার পাওয়া যাচ্ছে। আগের মৌসুমে ঠিকমতো সার দিতে না পারায় ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন অনেকে। এবারও যদি একই অবস্থা থাকে, তাহলে ফলন অর্ধেকেরও কম হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় চাষিরা সরকারের কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন, যেন ডিলারদের মাধ্যমে সহজে ও নির্ধারিত দামে সার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাইসুল ইসলাম বলেন, এলাকায় যথেষ্ট পরিমাণ সার মজুত রয়েছে। কোনো ডিলার বা খুচরা ব্যবসায়ী যদি সারের বিষয়ে অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা কিংবা ডিলারশিপ বাতিলের প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় ৫ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হচ্ছে।

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :