দেশের বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ৫২ দিন বন্ধ থাকার পর বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে এই আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়।
এদিন দুপুরে ৭৭ মেট্রিক টন চাল নিয়ে ভারতীয় দুটি ট্রাক হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর বাঁধন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত বছরের ৩০ নভেম্বর থেকে এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ ছিল। দীর্ঘ ১ মাস ২২ দিন পর আমদানিকারকরা আবারও শুল্কমুক্ত সুবিধায় চাল আমদানি শুরু করেছেন। দেশের বাজারে চালের চাহিদা বিবেচনায় এবং দর স্বাভাবিক রাখতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ দ্রুততার সঙ্গে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে পণ্য খালাস (ছাড়করণ) করছে।
হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানান, হিলি স্থলবন্দরের মাধ্যমে মোট ৩২ জন আমদানিকারককে ১৪ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিন দিন আগে তারা এই অনুমতি পান এবং আজ বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চাল আসা শুরু হলো। চাল আমদানি শুরু হওয়ায় দেশের বাজারে চালের সরবরাহ বাড়বে এবং মূল্য স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে সাধারণ ভোক্তারাও উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
এদিন দুপুরে ৭৭ মেট্রিক টন চাল নিয়ে ভারতীয় দুটি ট্রাক হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর বাঁধন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত বছরের ৩০ নভেম্বর থেকে এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ ছিল। দীর্ঘ ১ মাস ২২ দিন পর আমদানিকারকরা আবারও শুল্কমুক্ত সুবিধায় চাল আমদানি শুরু করেছেন। দেশের বাজারে চালের চাহিদা বিবেচনায় এবং দর স্বাভাবিক রাখতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ দ্রুততার সঙ্গে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে পণ্য খালাস (ছাড়করণ) করছে।
হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানান, হিলি স্থলবন্দরের মাধ্যমে মোট ৩২ জন আমদানিকারককে ১৪ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিন দিন আগে তারা এই অনুমতি পান এবং আজ বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চাল আসা শুরু হলো। চাল আমদানি শুরু হওয়ায় দেশের বাজারে চালের সরবরাহ বাড়বে এবং মূল্য স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে সাধারণ ভোক্তারাও উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন