আয়নার সামনে দাঁড়ালে তাকে চেনা দায়—তিনি রক্ত-মাংসের মানুষ নাকি রূপকথার কোনো বিচিত্র চরিত্র! ধারালো চিবুক আর অস্বাভাবিক ফোলা ঠোঁটের এই নারী এখন নেট দুনিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি ইরানি ইনফ্লুয়েন্সার আনাহিতা নাগু।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে আনাহিতা দাবি করেন, নিখুঁত সৌন্দর্য পেতে এ পর্যন্ত তিনি ৩৮৮ বার প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন। এই রূপান্তরের পেছনে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা (৫ কোটি ডলার)।সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, মেদহীন শরীরের নেশায় গত ৮ বছর ধরে কোনো শক্ত খাবার ছোঁননি তিনি। বেঁচে আছেন কেবল কফির ওপর। অদ্ভুত সাজসজ্জার কারণে নেটিজেনরা তাকে 'ইরানি হার্লে কুইন' বলে ডাকেন।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, আনাহিতা নিজেকে একজন মনস্তাত্ত্বিক পরামর্শদাতা হিসেবে পরিচয় দেন এবং মানুষের অন্তরের সৌন্দর্য নিয়ে কথা বলেন। তার এই অস্বাভাবিক জীবনধারা বিশ্বজুড়ে নেটিজেনদের মধ্যে উদ্বেগ ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
সম্প্রতি এক পডকাস্টে আনাহিতা দাবি করেন, নিখুঁত সৌন্দর্য পেতে এ পর্যন্ত তিনি ৩৮৮ বার প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন। এই রূপান্তরের পেছনে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা (৫ কোটি ডলার)।সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, মেদহীন শরীরের নেশায় গত ৮ বছর ধরে কোনো শক্ত খাবার ছোঁননি তিনি। বেঁচে আছেন কেবল কফির ওপর। অদ্ভুত সাজসজ্জার কারণে নেটিজেনরা তাকে 'ইরানি হার্লে কুইন' বলে ডাকেন।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, আনাহিতা নিজেকে একজন মনস্তাত্ত্বিক পরামর্শদাতা হিসেবে পরিচয় দেন এবং মানুষের অন্তরের সৌন্দর্য নিয়ে কথা বলেন। তার এই অস্বাভাবিক জীবনধারা বিশ্বজুড়ে নেটিজেনদের মধ্যে উদ্বেগ ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন