গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে তিনটি পাটের গুদাম। এতে পুড়ে গেছে ১ হাজার ৭৭৫ মণ পাট। অগ্নিকাণ্ডে পাট ব্যবসায়ী সুনীল সাহার গোডাউনে রাখা ১৩শ' মণ, নির্মল সাহার গোডাউনে রাখা ১শ' ৭৫ মণ ও ইকরাম মিয়ার গোডাউনের ৩শ' মণ পাট পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মেহেদি হাসান জানান, টিএনটি অফিসের পাশের পাটের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে মুকসুদপুর এবং কাশিয়ানী ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, কিভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তার তদন্ত করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পাট ব্যবসায়ী সুনীল সাহা জানান, এবারের পাট মৌসুমে বিক্রির জন্য গোডাউনে ১৩শ' মণ পাট মজুত রাখা হয়েছিল। কিন্তু গভীর রাতে হঠাৎ করে খবর আসে আমার গোডাউনে আগুন লেগেছে। বাড়ি থেকে আসতে আসতে আমার গোডাউনের সব পাট পুড়ে ছাই। আমি এখন স্বর্বশান্ত হয়ে গেলাম। অপর ক্ষতিগ্রস্ত পাট ব্যবসায়ী ইকরাম মিয়া জানান, আমার গোডাউনের ৩শ' মণ পাট ছিল। সব কিছু পুড়ে যাওয়া আমি শেষ। আমার এখন পথে বসা ছাড়া উপাই নেই।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মেহেদি হাসান জানান, টিএনটি অফিসের পাশের পাটের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে মুকসুদপুর এবং কাশিয়ানী ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, কিভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তার তদন্ত করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পাট ব্যবসায়ী সুনীল সাহা জানান, এবারের পাট মৌসুমে বিক্রির জন্য গোডাউনে ১৩শ' মণ পাট মজুত রাখা হয়েছিল। কিন্তু গভীর রাতে হঠাৎ করে খবর আসে আমার গোডাউনে আগুন লেগেছে। বাড়ি থেকে আসতে আসতে আমার গোডাউনের সব পাট পুড়ে ছাই। আমি এখন স্বর্বশান্ত হয়ে গেলাম। অপর ক্ষতিগ্রস্ত পাট ব্যবসায়ী ইকরাম মিয়া জানান, আমার গোডাউনের ৩শ' মণ পাট ছিল। সব কিছু পুড়ে যাওয়া আমি শেষ। আমার এখন পথে বসা ছাড়া উপাই নেই।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন