ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সদ্য বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে আওয়ামী লীগ ছেড়ে আসা সদস্যদের বিরুদ্ধে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্র জানায়, ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় সেন্টু কাজী, জামাল কাজী ও সুমন কাজীর নেতৃত্বে একদল লোক বিএনপি সমর্থক শাহজাহান শিকদারের বাড়িসহ মোট ১০ থেকে ১২টি বাড়িতে হামলা ও লুটপাট করে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলার সময় বাড়িতে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এতে কয়েকটি বাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও তারা জানান।
হামলার শিকার পরিবারগুলোর সদস্যরা অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের মধ্যে অনেকেই সম্প্রতি আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেন। নতুন করে দলে যোগ দিয়েই তারা বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে এই হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের বক্তব্য।
এ বিষয়ে কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী বেপারী সংঘর্ষের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, জামাল কাজী ছাড়া সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ বিএনপির কোনো কমিটিতে রয়েছেন বলে তাঁর জানা নেই। তবে এরা সবাই বিএনপির সমর্থক।
এ বিষয়ে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্র জানায়, ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় সেন্টু কাজী, জামাল কাজী ও সুমন কাজীর নেতৃত্বে একদল লোক বিএনপি সমর্থক শাহজাহান শিকদারের বাড়িসহ মোট ১০ থেকে ১২টি বাড়িতে হামলা ও লুটপাট করে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলার সময় বাড়িতে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এতে কয়েকটি বাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও তারা জানান।
হামলার শিকার পরিবারগুলোর সদস্যরা অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের মধ্যে অনেকেই সম্প্রতি আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেন। নতুন করে দলে যোগ দিয়েই তারা বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে এই হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের বক্তব্য।
এ বিষয়ে কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী বেপারী সংঘর্ষের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, জামাল কাজী ছাড়া সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ বিএনপির কোনো কমিটিতে রয়েছেন বলে তাঁর জানা নেই। তবে এরা সবাই বিএনপির সমর্থক।
এ বিষয়ে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে