দেশের বেশকিছু জেলার ওপর দিয়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। এদিকে, চলতি মাসে আরও একাধিক শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ভোর ৬টায় এই জেলায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাজশাহীতে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। অর্থাৎ একদিনে তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে আরও একাধিক শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের কারণে দিনের তাপমাত্রা কিছু জেলায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমেছে। উত্তরাঞ্চল ও ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুরের মতো এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের এমন তীব্রতা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, তীব্র শীত এবং কুয়াশা জনজীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাড়ি থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগও শীতজনিত রোগ যেমন সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়া থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত গরম পানি পান, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
রাজধানীর শিশু হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘তীব্র শীতের কারণে নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস ও ঠান্ডা-কাশির রোগী বেশি আসছে। বিশেষ করে শিশুদের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি।’
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ভোর ৬টায় এই জেলায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাজশাহীতে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। অর্থাৎ একদিনে তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে আরও একাধিক শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের কারণে দিনের তাপমাত্রা কিছু জেলায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমেছে। উত্তরাঞ্চল ও ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুরের মতো এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের এমন তীব্রতা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, তীব্র শীত এবং কুয়াশা জনজীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাড়ি থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগও শীতজনিত রোগ যেমন সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়া থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত গরম পানি পান, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
রাজধানীর শিশু হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘তীব্র শীতের কারণে নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস ও ঠান্ডা-কাশির রোগী বেশি আসছে। বিশেষ করে শিশুদের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি।’
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে