দিনের বেলায়ও সূর্যের দেখা মিলছে না। ফেনীতে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। আজ ৩ জানুয়ারি শনিবার জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এতে জেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন দিনমজুর, পরিবহনশ্রমিক ও ছোট ব্যবসায়ীরা।
জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান জানান, এর আগে গত রবিবার ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শনিবার ১৩.৩ ডিগ্রি ও শুক্রবার ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সেই হিসাবে আজ ১১ ডিগ্রি তাপমাত্রাই চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন।বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রয়োজনের তাগিদে মানুষ বাইরে বের হলেও শীতের পোশাক পরে চলাচল করছেন। হিমেল হাওয়ায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। রিক্সা ও সিএনজি চালকরা জীবিকার প্রয়োজনে বের হলেও যাত্রী না পেয়ে অনেককে জুবুথুবু হয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। অনেক চালককে দিনের বেলাও গাড়ির হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চালাতে হচ্ছে।
পথচারী মহিন মিয়া বলেন, হঠাৎ করে এমন শীত পড়েছে, যে ঘর থেকে বের হওয়া কষ্টকর। শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নানা রোগ বালাই। জ্বর-সর্দি ও কাশিসহ নানা ধরনের অসুখ হচ্ছে। বৃদ্ধ খিজির আহাম্মদ বলেন, গত কয়েকদিন ধরে যে শীত পড়েছে, তাতে বাঁচাই দায়। একে তো ডায়াবেটিস, এর জন্য সকালে হাঁটতে যাওয়ারও উপায় নেই। তার ওপর সর্দি-কাশিতো লেগেই আছে। শীতে আমাদের মতো বয়স্কদের খুবই কষ্ট। কৃষক আবুল হোসেন বলেন, তীব্র শীতে হাত-পা জমে যাওয়ার মতো অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে মাঠে থাকাটাও কষ্টকর।
আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে জেলায় শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করে। এরপর থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। দিন-রাত ঘন কুয়াশায় শীত জেঁকে বসে। ফেনী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান আরো বলেন, আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এ পরিস্থিতি থাকতে পারে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/ এনআইএন
জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান জানান, এর আগে গত রবিবার ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শনিবার ১৩.৩ ডিগ্রি ও শুক্রবার ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সেই হিসাবে আজ ১১ ডিগ্রি তাপমাত্রাই চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন।বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রয়োজনের তাগিদে মানুষ বাইরে বের হলেও শীতের পোশাক পরে চলাচল করছেন। হিমেল হাওয়ায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। রিক্সা ও সিএনজি চালকরা জীবিকার প্রয়োজনে বের হলেও যাত্রী না পেয়ে অনেককে জুবুথুবু হয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। অনেক চালককে দিনের বেলাও গাড়ির হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চালাতে হচ্ছে।
পথচারী মহিন মিয়া বলেন, হঠাৎ করে এমন শীত পড়েছে, যে ঘর থেকে বের হওয়া কষ্টকর। শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নানা রোগ বালাই। জ্বর-সর্দি ও কাশিসহ নানা ধরনের অসুখ হচ্ছে। বৃদ্ধ খিজির আহাম্মদ বলেন, গত কয়েকদিন ধরে যে শীত পড়েছে, তাতে বাঁচাই দায়। একে তো ডায়াবেটিস, এর জন্য সকালে হাঁটতে যাওয়ারও উপায় নেই। তার ওপর সর্দি-কাশিতো লেগেই আছে। শীতে আমাদের মতো বয়স্কদের খুবই কষ্ট। কৃষক আবুল হোসেন বলেন, তীব্র শীতে হাত-পা জমে যাওয়ার মতো অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে মাঠে থাকাটাও কষ্টকর।
আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে জেলায় শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করে। এরপর থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। দিন-রাত ঘন কুয়াশায় শীত জেঁকে বসে। ফেনী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান আরো বলেন, আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এ পরিস্থিতি থাকতে পারে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/ এনআইএন