ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলের দুই বন্দর ও বেসামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। মঙ্গলবারের (৩০ ডিসেম্বর) এই ড্রোন হামলায় পানামার দুটি বেসামরিক জাহাজ ও বন্দরের তেল সংরক্ষণ ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইউক্রেনের নৌবাহিনী ও সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পানামা পতাকাবাহী এমাক্রিস থ্রি ও ক্যাপ্টেন কারাম গম নেওয়ার উদ্দেশ্যে বন্দরে প্রবেশের সময় রুশ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে।
দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ওলেক্সি কুলেবা বলেন, রুশ বাহিনী কৃষ্ণ সাগরের পিভদেননি ও চর্নোমোরস্ক বন্দরে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার উদ্দেশ্য বন্দর অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা, জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি তৈরি করা এবং পণ্য রপ্তানিতে বিলম্ব ঘটানো। যা নৌপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও জটিল করে তুলছে।
তবে হামলার পরও উভয় বন্দরের কার্যক্রম চালু রয়েছে বলে জানান তিনি।
ওডেসা ও এর আশপাশের এলাকা কৃষ্ণ সাগরে কয়েকটি বন্দর অবস্থিত। যেগুলো ইউক্রেনের বৈদেশিক বাণিজ্য ও যুদ্ধকালীন অর্থনীতির টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইউক্রেন বিশ্বে কৃষিপণ্যের অন্যতম বড় উৎপাদক ও রপ্তানিকারক। প্রায় চার বছর ধরে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে দেশটির অন্যান্য বন্দর ধ্বংস, দখল বা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে ওডেসা, পিভদেননি ও চর্নোমোরস্ক বন্দরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। এগুলো প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এদিকে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনার প্রচেষ্টা চলছে। তবে এখনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দুই পক্ষ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
ইউক্রেনের নৌবাহিনী ও সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পানামা পতাকাবাহী এমাক্রিস থ্রি ও ক্যাপ্টেন কারাম গম নেওয়ার উদ্দেশ্যে বন্দরে প্রবেশের সময় রুশ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে।
দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ওলেক্সি কুলেবা বলেন, রুশ বাহিনী কৃষ্ণ সাগরের পিভদেননি ও চর্নোমোরস্ক বন্দরে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার উদ্দেশ্য বন্দর অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা, জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি তৈরি করা এবং পণ্য রপ্তানিতে বিলম্ব ঘটানো। যা নৌপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও জটিল করে তুলছে।
তবে হামলার পরও উভয় বন্দরের কার্যক্রম চালু রয়েছে বলে জানান তিনি।
ওডেসা ও এর আশপাশের এলাকা কৃষ্ণ সাগরে কয়েকটি বন্দর অবস্থিত। যেগুলো ইউক্রেনের বৈদেশিক বাণিজ্য ও যুদ্ধকালীন অর্থনীতির টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইউক্রেন বিশ্বে কৃষিপণ্যের অন্যতম বড় উৎপাদক ও রপ্তানিকারক। প্রায় চার বছর ধরে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে দেশটির অন্যান্য বন্দর ধ্বংস, দখল বা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে ওডেসা, পিভদেননি ও চর্নোমোরস্ক বন্দরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। এগুলো প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এদিকে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনার প্রচেষ্টা চলছে। তবে এখনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দুই পক্ষ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে