শীতের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে প্রকৃতি। জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। এমন অবস্থায় দেশের দিকে ধেয়ে আসছে শৈত্যপ্রবাহ ‘কনকন’। তাপমাত্রা নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে।
বিশেষ এক বার্তায় আবহওয়া নিয়ে এমনটাই দুঃসংবাদ দিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।
বিডব্লিউওটি-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই শৈত্যপ্রবাহটি ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি অথবা ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিশেষ করে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে এর তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কোথায় কেমন প্রভাব পড়বে
রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ ছাড়াও রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে এই শৈত্যপ্রবাহ বেশ সক্রিয় থাকবে। এ ছাড়া গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও শীতের দাপট বাড়বে।
তবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় এর প্রভাব তুলনামূলক কম থাকতে পারে। অন্যদিকে ঢাকা ও উপকূলীয় এলাকায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হলেও সেখানে শৈত্যপ্রবাহের সরাসরি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম।
তাপমাত্রা
শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী ও পাবনাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।
দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা ৭ থেকে ৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সিলেট, কুমিল্লা ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে নামতে পারে।
কুয়াশা ও রোদের আবহাওয়া
শৈত্যপ্রবাহ শুরুর প্রথম দুই-তিন দিন দেশজুড়ে ঘন কুয়াশার দাপট বেশি থাকবে। তবে পরবর্তীতে কুয়াশা কিছুটা কমলে দিনের বেলায় রোদের দেখা মিলতে পারে। নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা থাকলেও রাতে কনকনে শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকবে। ঢাকা ও উপকূলীয় এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বিশেষ এক বার্তায় আবহওয়া নিয়ে এমনটাই দুঃসংবাদ দিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।
বিডব্লিউওটি-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই শৈত্যপ্রবাহটি ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি অথবা ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিশেষ করে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে এর তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কোথায় কেমন প্রভাব পড়বে
রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ ছাড়াও রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে এই শৈত্যপ্রবাহ বেশ সক্রিয় থাকবে। এ ছাড়া গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও শীতের দাপট বাড়বে।
তবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় এর প্রভাব তুলনামূলক কম থাকতে পারে। অন্যদিকে ঢাকা ও উপকূলীয় এলাকায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হলেও সেখানে শৈত্যপ্রবাহের সরাসরি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম।
তাপমাত্রা
শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী ও পাবনাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।
দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা ৭ থেকে ৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সিলেট, কুমিল্লা ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে নামতে পারে।
কুয়াশা ও রোদের আবহাওয়া
শৈত্যপ্রবাহ শুরুর প্রথম দুই-তিন দিন দেশজুড়ে ঘন কুয়াশার দাপট বেশি থাকবে। তবে পরবর্তীতে কুয়াশা কিছুটা কমলে দিনের বেলায় রোদের দেখা মিলতে পারে। নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা থাকলেও রাতে কনকনে শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকবে। ঢাকা ও উপকূলীয় এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে