ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন। তিনি ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদ উদ্দিন শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমকে জানান, “অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান স্যার পদত্যাগপত্রে সাইন করেছেন। রোববার তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে।”
ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামানকে দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব গ্রহণের আগে অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি তিনি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের সন্তান মো. আসাদুজ্জামান ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৯৫ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন এবং পরের বছর হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০৫ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদ উদ্দিন শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমকে জানান, “অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান স্যার পদত্যাগপত্রে সাইন করেছেন। রোববার তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে।”
ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামানকে দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব গ্রহণের আগে অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি তিনি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের সন্তান মো. আসাদুজ্জামান ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৯৫ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন এবং পরের বছর হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০৫ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে