ঢাকার মগবাজার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে ২০ বছর বয়সী সিয়াম মজুমদারের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) হাতিরঝিল থানায় নিহতের বাবা আলী আকবর অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন বলে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মর্তুজা।
পুলিশ জানায়, আগের দিন সন্ধ্যার পর মগবাজার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ডের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরিত ককটেলটি সরাসরি সিয়ামের মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ককটেলটি নিচে ছুঁড়ে মারা হয়েছিল।
হাতিরঝিল থানার ওসি গোলাম মর্তুজা বলেন, “হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা হওয়ার পর থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থাও তদন্তে যুক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।”
নিহত সিয়াম মজুমদারের বাবা আলী আকবর পেশায় রিকশাচালক। দুই ছেলের মধ্যে সিয়াম ছিলেন বড়। গ্রামের বাড়ি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় হলেও তিনি প্রায় চার বছর ধরে ঢাকার নিউ ইস্কাটনের ‘দুই হাজার’ গলির একটি বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন।
আলী আকবর জানান, ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে ছেলের মরদেহ দাফনের জন্য খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন তারা।
ঘটনার দিনের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “রাত আটটার দিকে রিকশা গ্যারেজে রেখে বাসায় ঢোকার সময় এক ছেলে এসে বলে সিয়ামের বিপদ হয়েছে। তখন পাগলের মতো দৌড়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি সিয়াম নেই, শুধু রক্ত আর রক্ত।”
তিনি জানান, পুলিশ সিয়ামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছে—এমন খবর পেয়ে তিনি সেখানে ছুটে যান। পরে হাসপাতালে গিয়ে ছেলেকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে আলী আকবর বলেন, “কারা মারল, কেন মারল—জানতেই পারলাম না।”
পুলিশ জানায়, সিয়াম মগবাজারের একটি কার ডেকোরেশন প্রতিষ্ঠানে কয়েক বছর ধরে কাজ করছিলেন। কর্মস্থল থেকে বের হয়ে ফুটপাথে চা খেতে গিয়ে তিনি এই ককটেল হামলার শিকার হন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
পুলিশ জানায়, আগের দিন সন্ধ্যার পর মগবাজার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ডের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরিত ককটেলটি সরাসরি সিয়ামের মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ককটেলটি নিচে ছুঁড়ে মারা হয়েছিল।
হাতিরঝিল থানার ওসি গোলাম মর্তুজা বলেন, “হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা হওয়ার পর থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থাও তদন্তে যুক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।”
নিহত সিয়াম মজুমদারের বাবা আলী আকবর পেশায় রিকশাচালক। দুই ছেলের মধ্যে সিয়াম ছিলেন বড়। গ্রামের বাড়ি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় হলেও তিনি প্রায় চার বছর ধরে ঢাকার নিউ ইস্কাটনের ‘দুই হাজার’ গলির একটি বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন।
আলী আকবর জানান, ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে ছেলের মরদেহ দাফনের জন্য খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন তারা।
ঘটনার দিনের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “রাত আটটার দিকে রিকশা গ্যারেজে রেখে বাসায় ঢোকার সময় এক ছেলে এসে বলে সিয়ামের বিপদ হয়েছে। তখন পাগলের মতো দৌড়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি সিয়াম নেই, শুধু রক্ত আর রক্ত।”
তিনি জানান, পুলিশ সিয়ামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছে—এমন খবর পেয়ে তিনি সেখানে ছুটে যান। পরে হাসপাতালে গিয়ে ছেলেকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে আলী আকবর বলেন, “কারা মারল, কেন মারল—জানতেই পারলাম না।”
পুলিশ জানায়, সিয়াম মগবাজারের একটি কার ডেকোরেশন প্রতিষ্ঠানে কয়েক বছর ধরে কাজ করছিলেন। কর্মস্থল থেকে বের হয়ে ফুটপাথে চা খেতে গিয়ে তিনি এই ককটেল হামলার শিকার হন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে