আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনয়ন না পেয়ে তীব্র হতাশা ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন জুলাই আন্দোলনের আইকনিক স্যালুট দিয়ে পরিচিত হওয়া রিকশাচালক মোহাম্মদ সুজন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে প্রথম ধাপে দলের মনোনীত ১২৫ জনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে এনসিপি। সেই তালিকায় নাম থাকায় প্রতিক্রিয়ায় সুজন বলেন, ‘এ বিষয়ে দল আমাকে কিছুই জানায় নাই। হারা–জেতা আছেই। আমাকে নমিনেশন দেয় নাই, আমি প্রচারণায় নামব না। আর যদি দিত, তাহলে নামতাম।’
সুজন বলেন, ‘এলাকার সাধারণ গরিব মানুষেরা আমাকে এমপি হিসেবে দেখতে চেয়েছিল। ছোট থেকেই মানুষ বড় হয়। যারা দিন আনে দিন খায়, তারাই এই সুজনকে চাইছিল। গত ১২ বছর গরিবরা কিছু পায়নি, বঞ্চিত হয়েছে, তাই ওরাই আমাকে চাইছিল।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা-৮ আসনে জুলাই যোদ্ধাদের তিনজন প্রার্থী হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও ছিল। আমি গরিব মানুষ, গরিবের কষ্ট বুঝি। আশা ছিল সংসদে গিয়ে গরিব মানুষের এমপি হবো। মানুষ এখনো আমাকে বলে গরিবের এমপি।’
অন্য কোনো দলের প্রতি তার কোনো দাবি বা আকাঙ্ক্ষা নেই বলেও জানান সুজন। তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় মানুষের চাওয়া–পাওয়াকে আগে গুরুত্ব দিতে হবে। ‘৫ আগস্ট আমরা রাজনৈতিক পরিবর্তন করেছি। জনগণ যা চায়, তা আগে দিতে হবে।’
পেশাগত জীবনের কষ্টের কথা বলতে গিয়ে সুজন বলেন, ‘আমি নগর ভবনে মাস্টার রোলে কাজ করি। চাকরি করলে টাকা, না করলে টাকা নাই। রিকশা চালানো ছেড়ে দিয়েছি, কিন্তু চাইলে আবার চালাতেও পারি। মাঝে মাঝে এখনো রিকশা চালাই।’
এর আগ গত ২০ নভেম্বর ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন রিকশাচালক মোহাম্মদ সুজন। বাংলামোটরের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে তিনি ফরম সংগ্রহ করেন। ফরম সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের সুজন বলেছিলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রিকশা চালাই। ওখানেই আন্দোলনের সময় পরিচিতি পাইছি। তাই আমি এই আসন থেকেই নির্বাচন করতে চাই। আমি নিজেই এই আসনটা বাইছা নিছি।’
সেদিন তার হাতে মনোনয়ন ফরম তুলে দেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
নির্বাচনকে সামনে রেখে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে প্রথম ধাপে দলের মনোনীত ১২৫ জনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে এনসিপি। সেই তালিকায় নাম থাকায় প্রতিক্রিয়ায় সুজন বলেন, ‘এ বিষয়ে দল আমাকে কিছুই জানায় নাই। হারা–জেতা আছেই। আমাকে নমিনেশন দেয় নাই, আমি প্রচারণায় নামব না। আর যদি দিত, তাহলে নামতাম।’
সুজন বলেন, ‘এলাকার সাধারণ গরিব মানুষেরা আমাকে এমপি হিসেবে দেখতে চেয়েছিল। ছোট থেকেই মানুষ বড় হয়। যারা দিন আনে দিন খায়, তারাই এই সুজনকে চাইছিল। গত ১২ বছর গরিবরা কিছু পায়নি, বঞ্চিত হয়েছে, তাই ওরাই আমাকে চাইছিল।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা-৮ আসনে জুলাই যোদ্ধাদের তিনজন প্রার্থী হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও ছিল। আমি গরিব মানুষ, গরিবের কষ্ট বুঝি। আশা ছিল সংসদে গিয়ে গরিব মানুষের এমপি হবো। মানুষ এখনো আমাকে বলে গরিবের এমপি।’
অন্য কোনো দলের প্রতি তার কোনো দাবি বা আকাঙ্ক্ষা নেই বলেও জানান সুজন। তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় মানুষের চাওয়া–পাওয়াকে আগে গুরুত্ব দিতে হবে। ‘৫ আগস্ট আমরা রাজনৈতিক পরিবর্তন করেছি। জনগণ যা চায়, তা আগে দিতে হবে।’
পেশাগত জীবনের কষ্টের কথা বলতে গিয়ে সুজন বলেন, ‘আমি নগর ভবনে মাস্টার রোলে কাজ করি। চাকরি করলে টাকা, না করলে টাকা নাই। রিকশা চালানো ছেড়ে দিয়েছি, কিন্তু চাইলে আবার চালাতেও পারি। মাঝে মাঝে এখনো রিকশা চালাই।’
এর আগ গত ২০ নভেম্বর ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন রিকশাচালক মোহাম্মদ সুজন। বাংলামোটরের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে তিনি ফরম সংগ্রহ করেন। ফরম সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের সুজন বলেছিলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রিকশা চালাই। ওখানেই আন্দোলনের সময় পরিচিতি পাইছি। তাই আমি এই আসন থেকেই নির্বাচন করতে চাই। আমি নিজেই এই আসনটা বাইছা নিছি।’
সেদিন তার হাতে মনোনয়ন ফরম তুলে দেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে