দেশে হত্যাকাণ্ড বন্ধের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, আমার কাছে কোনো যদি ম্যাজিক থাকত, সুইচ অন অফের মতো, যদি থাকত তাহলে আমি অফ করে দিতাম, কিলিং-টিলিং বন্ধে আমার কাছে এমন কোনো ম্যাজিক নাই।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় নির্বাচনের প্রস্তুতি সংক্লান্ত বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের প্রস্তুতি মাশাল্লাহ্ খুবই ভালো। সব বাহিনী তাদের প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি, জানুয়ারির ভেতরে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সুষ্ঠু, ক্রেডিবল ও উৎসবমুখর নির্বাচনের জন্য যত ধরনের প্রস্তুতি দরকার সব কিছু নিচ্ছি। আর সব প্রস্তুতির জন্য একটি প্রশিক্ষণের দরকার পড়ে। প্রশিক্ষণ হলো সবকিছুর মূল।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য বডি অন ক্যামেরা কেনা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি কেন্দ্রে বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকতে বলেছি। যেহেতু এবার ভোটাগ্রহণ সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এ ছাড়া ভোট গণনার সময় সন্ধ্যা হয়ে যায়। এ জন্য যে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকে সেখানে বিকল্প ব্যবস্থায় ইলেকট্রিসিটির ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।’
গতকাল রোববার রংপুরে একজন মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে হত্যার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘যেভাবেই হোক হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ধরনের ঘটনা ঘটছে, এটা আমি অস্বীকার করতে পারি না। নির্বাচনের আগে বন্ধ হয়ে যাবে এটাও বলতে পারি না। আমার কাছে কোনো যদি ম্যাজিক থাকত সুইচ অন অফের মতো, তাহলে আমি অফ করে দিতাম, যে এখন আর কোনো কিলিং টিলিং হবে না। আমার কাছে এমন কোনো ম্যাজিক নাই।’
তপশিলের পর সব রাজনৈতিক দল সমানভাবে প্রচার করতে পারবে কি না? সে পরিবেশ কি সরকার নিশ্চিত করবে? এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাকে মাঠে নামতে দিচ্ছে না? তারা তো পুরো মাঠ গরম করে রাখছে। সব বাহিনী মাঠে আছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় নির্বাচনের প্রস্তুতি সংক্লান্ত বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের প্রস্তুতি মাশাল্লাহ্ খুবই ভালো। সব বাহিনী তাদের প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি, জানুয়ারির ভেতরে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সুষ্ঠু, ক্রেডিবল ও উৎসবমুখর নির্বাচনের জন্য যত ধরনের প্রস্তুতি দরকার সব কিছু নিচ্ছি। আর সব প্রস্তুতির জন্য একটি প্রশিক্ষণের দরকার পড়ে। প্রশিক্ষণ হলো সবকিছুর মূল।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য বডি অন ক্যামেরা কেনা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি কেন্দ্রে বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকতে বলেছি। যেহেতু এবার ভোটাগ্রহণ সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এ ছাড়া ভোট গণনার সময় সন্ধ্যা হয়ে যায়। এ জন্য যে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকে সেখানে বিকল্প ব্যবস্থায় ইলেকট্রিসিটির ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।’
গতকাল রোববার রংপুরে একজন মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে হত্যার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘যেভাবেই হোক হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ধরনের ঘটনা ঘটছে, এটা আমি অস্বীকার করতে পারি না। নির্বাচনের আগে বন্ধ হয়ে যাবে এটাও বলতে পারি না। আমার কাছে কোনো যদি ম্যাজিক থাকত সুইচ অন অফের মতো, তাহলে আমি অফ করে দিতাম, যে এখন আর কোনো কিলিং টিলিং হবে না। আমার কাছে এমন কোনো ম্যাজিক নাই।’
তপশিলের পর সব রাজনৈতিক দল সমানভাবে প্রচার করতে পারবে কি না? সে পরিবেশ কি সরকার নিশ্চিত করবে? এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাকে মাঠে নামতে দিচ্ছে না? তারা তো পুরো মাঠ গরম করে রাখছে। সব বাহিনী মাঠে আছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে