ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সংস্কারসহ বেশ কয়েকটি দাবিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবন ঘেরাও করেছে মোবাইল ব্যবসায়ীরা। রোববার সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটির ব্যানারে বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হন তাঁরা। এতে সড়কের একপাশের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ীদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, এনইআইআর সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা। বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। সংগঠনের সেক্রেটারি আবু সায়ীদ পিয়াস বলেন, ‘আমরা বারবার সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছি আমাদের সঙ্গে বসার জন্য। অথচ আমাদের একটিবারও কোনো পক্ষ থেকে ডাকা হয়নি। আলোচনার টেবিলে অবশ্যই এই সমস্যার সমাধান হতো। এখন পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। সারা দেশের খুচরা ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে।’
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে লাখ লাখ ব্যবসায়ী ও তাঁদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নতুন এই নিয়মের ফলে বিশেষ একটি গোষ্ঠী লাভবান হবে এবং বাড়তি করের চাপে গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইলের দাম বেড়ে যাবে। বিটিআরসি আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে বৈধ পথে মুঠোফোন আমদানির শুল্কহার কমানো ও প্রবাসীদের ফোন আনার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এনইআইআরের মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোবাইল ফোনকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। এরপর থেকে অবৈধভাবে নিয়ে আসা ফোন ব্যবহার করা যাবে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, এনইআইআর সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা। বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। সংগঠনের সেক্রেটারি আবু সায়ীদ পিয়াস বলেন, ‘আমরা বারবার সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছি আমাদের সঙ্গে বসার জন্য। অথচ আমাদের একটিবারও কোনো পক্ষ থেকে ডাকা হয়নি। আলোচনার টেবিলে অবশ্যই এই সমস্যার সমাধান হতো। এখন পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। সারা দেশের খুচরা ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে।’
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে লাখ লাখ ব্যবসায়ী ও তাঁদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নতুন এই নিয়মের ফলে বিশেষ একটি গোষ্ঠী লাভবান হবে এবং বাড়তি করের চাপে গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইলের দাম বেড়ে যাবে। বিটিআরসি আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে বৈধ পথে মুঠোফোন আমদানির শুল্কহার কমানো ও প্রবাসীদের ফোন আনার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এনইআইআরের মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোবাইল ফোনকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। এরপর থেকে অবৈধভাবে নিয়ে আসা ফোন ব্যবহার করা যাবে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন