খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিয়ে ফিরে যাওয়ার সময় প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- হাসিব (৪১) ও রাজন (৪০)। এদের মধ্যে হাসিব ঘটনাস্থলে নিহত হন। আর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ জানায়, রাজনের নামে ছয়টা মামলা আছে। হাসিবের নামেও একাধিক মামলা আছে। দুজনই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সহযোগী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামিনে থাকা দুজন আসামি আদালতে হাজিরা দিয়ে আদালত ফটকের সামনে মোটরসাইকেল রেখে চা খেতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় চার থেকে পাঁচজন দুর্বৃত্ত হেঁটে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁরা দুজন মাটিতে পড়ে গেলে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে তাদের। দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রাজনের পিতা মো. এজাজ শেখ বলেন, আমার ছেলে একটা মামলার হাজিরা দিতে আদালতে গিয়েছিলো। ফেরার সময় রাজন খুন হয়।
হাসিবের ভাই শাকিল হাওলাদার বলেন, কিছুদিন আগে তাঁর ভাইয়ের নামে একটা অস্ত্র মামলা হয়। সেই মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে এসেছিলেন তাঁর ভাই।
খুলনা সদর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এরা দুজনেই পলাশ গ্রুপের সদস্য। এদের নামে অস্ত্রসহ একাধিক মামলা আছে। আজ সেই মামলার হাজিরে দিতে গিয়েছিলো। আমাদের কাছে কিছু ভিডিও ফুটেজ আছে। তদন্তের স্বার্থে এখন আর কোন তথ্য দেওয়া যাচ্ছে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- হাসিব (৪১) ও রাজন (৪০)। এদের মধ্যে হাসিব ঘটনাস্থলে নিহত হন। আর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ জানায়, রাজনের নামে ছয়টা মামলা আছে। হাসিবের নামেও একাধিক মামলা আছে। দুজনই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সহযোগী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামিনে থাকা দুজন আসামি আদালতে হাজিরা দিয়ে আদালত ফটকের সামনে মোটরসাইকেল রেখে চা খেতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় চার থেকে পাঁচজন দুর্বৃত্ত হেঁটে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁরা দুজন মাটিতে পড়ে গেলে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে তাদের। দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রাজনের পিতা মো. এজাজ শেখ বলেন, আমার ছেলে একটা মামলার হাজিরা দিতে আদালতে গিয়েছিলো। ফেরার সময় রাজন খুন হয়।
হাসিবের ভাই শাকিল হাওলাদার বলেন, কিছুদিন আগে তাঁর ভাইয়ের নামে একটা অস্ত্র মামলা হয়। সেই মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে এসেছিলেন তাঁর ভাই।
খুলনা সদর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এরা দুজনেই পলাশ গ্রুপের সদস্য। এদের নামে অস্ত্রসহ একাধিক মামলা আছে। আজ সেই মামলার হাজিরে দিতে গিয়েছিলো। আমাদের কাছে কিছু ভিডিও ফুটেজ আছে। তদন্তের স্বার্থে এখন আর কোন তথ্য দেওয়া যাচ্ছে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে