সোশ্যাল মিডিয়া যেনো বিদ্বেষ প্রকাশের প্লাটফর্মে পরিণত, ঘৃণা আর কুৎসা রটনা প্রতিযোগিতার উন্মুক্ত মঞ্চ- এমন হতাশা ব্যক্ত করেছেন সিনিয়র সচিব মর্যাদায় মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর)) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি, কিন্তু সেই শক্তির অযথা প্রদর্শন এখন যেনো আমাদের দুর্বলতায় পরিণত হচ্ছে। ভাবুন তো, মতের অমিল হলেই আমরা একে অপরকে আঘাত করছি, ভাষার সীমা ভেঙে চরিত্র হনন পর্যন্ত করতে ছাড়ছি না।’
রাষ্ট্রদূত মুশফিক সুনির্দিষ্ট কোনো পক্ষের কথা উল্লেখ না করে এ পোস্টে লিখেছেন, ‘আপনারা অনেকে তো সমাজের সেই অংশ, যাদের কথা মানুষ গুরুত্ব দিয়ে শোনে। আপনাদের কাছে মানুষ চায় দিকনির্দেশনা, সংযম, আচরণের মানদণ্ড। তাহলে কেনো এই মাত্রাহীন ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা আক্রোশ? কখন থেকে বিবাদ মানে বিনোদন, আর যুক্তি মানে গালাগালি হয়ে গেলো?’
জাতিসংঘ ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্রিফিং গুলোতে একসময় ঝলসে উঠা এই সাংবাদিক আরও লিখেছেন, ‘একসময় আমরা অনেকেই বলতাম—“হাসিনার কথা বলা, মানে মানহোলের ঢাকনা খুলে যাওয়া”! আজ কি সেই খালি জায়গা কেউ কেউ অন্যভাবে পূরণ করতে চাইছেন? যে জায়গা আলোচনার, সেখানে শুরু হয়ে যাচ্ছে দ্বন্দ্বের যুদ্ধ।’
দেশের মানুষ এই সাংস্কৃতিক সহিংসতা নিতে পারছেনা উল্লেখ করে মুশফিক লিখেছেন, ‘মানুষের একটা অংশ হয়তো এটা নাটকের মতো কিংবা বিনোদনের আশায় দেখছে, কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না- বাংলাদেশের বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ, যারা পরিবার নিয়ে শান্তিতে থাকতে চায়, তারা কখনোই এই সাংস্কৃতিক সহিংসতাকে গ্রহণ করবে না।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘যারা জুলাই ’২৪ পরবর্তী হঠাৎ অতিবিপ্লবী হয়ে উঠেছেন, তারাও একবার ভাবুন- যে ঢেউ তুলতে চাইছেন, সেই ঢেউয়ের অভিঘাত সবাই বহন করতে পারে না। বিপ্লব মানে কেবল আবেগ নয়; তার ভার নিতে হয় সাহস ও দায়িত্ব দিয়ে।’
মতভেদের ভিন্নতা থাকলেও পরস্পরের প্রতি সম্মান রক্ষার আহবান জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘মতভেদ থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু সম্মানহানী করে নয়। প্রতিবাদের ঝড় উঠুক, কিন্তু প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করার তাড়নায় নয় । আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেনো দেখে, বাংলাদেশের সচেতন সমাজ বিতর্কে জেতে যুক্তি দিয়ে, গালাগাল দিয়ে নয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যদি আমাদের অস্ত্র হয়, তবে সম্মান হোক তার ঢাল। এটাই সত্যিকারের সাহস।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর)) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি, কিন্তু সেই শক্তির অযথা প্রদর্শন এখন যেনো আমাদের দুর্বলতায় পরিণত হচ্ছে। ভাবুন তো, মতের অমিল হলেই আমরা একে অপরকে আঘাত করছি, ভাষার সীমা ভেঙে চরিত্র হনন পর্যন্ত করতে ছাড়ছি না।’
রাষ্ট্রদূত মুশফিক সুনির্দিষ্ট কোনো পক্ষের কথা উল্লেখ না করে এ পোস্টে লিখেছেন, ‘আপনারা অনেকে তো সমাজের সেই অংশ, যাদের কথা মানুষ গুরুত্ব দিয়ে শোনে। আপনাদের কাছে মানুষ চায় দিকনির্দেশনা, সংযম, আচরণের মানদণ্ড। তাহলে কেনো এই মাত্রাহীন ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা আক্রোশ? কখন থেকে বিবাদ মানে বিনোদন, আর যুক্তি মানে গালাগালি হয়ে গেলো?’
জাতিসংঘ ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্রিফিং গুলোতে একসময় ঝলসে উঠা এই সাংবাদিক আরও লিখেছেন, ‘একসময় আমরা অনেকেই বলতাম—“হাসিনার কথা বলা, মানে মানহোলের ঢাকনা খুলে যাওয়া”! আজ কি সেই খালি জায়গা কেউ কেউ অন্যভাবে পূরণ করতে চাইছেন? যে জায়গা আলোচনার, সেখানে শুরু হয়ে যাচ্ছে দ্বন্দ্বের যুদ্ধ।’
দেশের মানুষ এই সাংস্কৃতিক সহিংসতা নিতে পারছেনা উল্লেখ করে মুশফিক লিখেছেন, ‘মানুষের একটা অংশ হয়তো এটা নাটকের মতো কিংবা বিনোদনের আশায় দেখছে, কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না- বাংলাদেশের বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ, যারা পরিবার নিয়ে শান্তিতে থাকতে চায়, তারা কখনোই এই সাংস্কৃতিক সহিংসতাকে গ্রহণ করবে না।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘যারা জুলাই ’২৪ পরবর্তী হঠাৎ অতিবিপ্লবী হয়ে উঠেছেন, তারাও একবার ভাবুন- যে ঢেউ তুলতে চাইছেন, সেই ঢেউয়ের অভিঘাত সবাই বহন করতে পারে না। বিপ্লব মানে কেবল আবেগ নয়; তার ভার নিতে হয় সাহস ও দায়িত্ব দিয়ে।’
মতভেদের ভিন্নতা থাকলেও পরস্পরের প্রতি সম্মান রক্ষার আহবান জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘মতভেদ থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু সম্মানহানী করে নয়। প্রতিবাদের ঝড় উঠুক, কিন্তু প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করার তাড়নায় নয় । আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেনো দেখে, বাংলাদেশের সচেতন সমাজ বিতর্কে জেতে যুক্তি দিয়ে, গালাগাল দিয়ে নয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যদি আমাদের অস্ত্র হয়, তবে সম্মান হোক তার ঢাল। এটাই সত্যিকারের সাহস।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে