ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিনাইর এলাকায় শহীদ মীর মুগ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে কালি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাতে চিনাইর মীর মুগ্ধের স্মৃতিস্তম্ভটি বিকৃত করা হয়।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চিনাইর আঞ্জুমান আরা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের এই স্মৃতিস্তম্ভটি এলাকায় ‘মুগ্ধমঞ্চ’ নামে পরিচিত। কয়েক মাস আগে ৫ আগস্টের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্থাপিত ছবি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেখানে শহীদ মীর মুগ্ধের ছবি বসানো হয়। স্থানীয়দের মতে, স্মৃতিস্তম্ভটি বরাবরই এলাকার ইতিহাস, ত্যাগ এবং স্বাধীনতার চেতনায় গুরুত্ব বহন করে।
মুগ্ধমঞ্চ নির্মাণের অন্যতম উদ্যোক্তা ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল আহমেদ ঘটনাটিকে ‘কঠোর নিন্দনীয়’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। এই ঘটনার মাধ্যমে শুধু মীর মুগ্ধকে নয়, জুলাইয়ের চেতনাকেও আঘাত করা হয়েছে। রাতের আঁধারে এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর মডেল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘স্মৃতিস্তম্ভে কালি দেওয়ার বিষয়ে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রমাণ মিললে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চিনাইর আঞ্জুমান আরা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের এই স্মৃতিস্তম্ভটি এলাকায় ‘মুগ্ধমঞ্চ’ নামে পরিচিত। কয়েক মাস আগে ৫ আগস্টের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্থাপিত ছবি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেখানে শহীদ মীর মুগ্ধের ছবি বসানো হয়। স্থানীয়দের মতে, স্মৃতিস্তম্ভটি বরাবরই এলাকার ইতিহাস, ত্যাগ এবং স্বাধীনতার চেতনায় গুরুত্ব বহন করে।
মুগ্ধমঞ্চ নির্মাণের অন্যতম উদ্যোক্তা ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল আহমেদ ঘটনাটিকে ‘কঠোর নিন্দনীয়’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। এই ঘটনার মাধ্যমে শুধু মীর মুগ্ধকে নয়, জুলাইয়ের চেতনাকেও আঘাত করা হয়েছে। রাতের আঁধারে এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর মডেল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘স্মৃতিস্তম্ভে কালি দেওয়ার বিষয়ে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রমাণ মিললে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে