সাগরে বিশেষ মাছের সন্ধান: দাম উঠলো ৭ লাখ টাকা

আপলোড সময় : ২২-১১-২০২৫ ০২:৫১:০৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-১১-২০২৫ ০৪:০৪:৩৯ অপরাহ্ন
কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিনে বঙ্গোপসাগরে পশ্চিমে জেলের জালে ধরা পড়েছে বড় ওজনের একটি পোপা মাছ। শনিবার (২২ নভেম্বর) সেন্টমার্টিন দ্বীপের পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা আবদুল গণির মালিকানাধীন ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। ৩২ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছটির দাম হাঁকানো হয়েছে সাড়ে সাত লাখ টাকা।

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সেন্টমার্টিনের পূর্বে ‘লাক্ষা জালে’ মাছটি ধরা পড়ে বলে জানিয়েছেন ট্রলার মালিক আবদুল গণি। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার আমিসহ আট মাঝিমাল্লা সাগরে মাছ ধরার উদ্দেশে রওনা হই। সেন্টমার্টিনের পূর্বে এলাকায় ট্রলারটি নোঙর করি এবং রাতে জাল ফেলি। শনিবার সকালে জাল টেনে তুলতেই একটি পোপা মাছ ও একটি মাঝারি আকারের লাল পোয়া দেখতে পাই। এরপর ট্রলার নিয়ে সেন্টমার্টিন জেটির ফিশারিঘাটে নিয়ে আসি।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাছটি এখন সাত লাখ দাম হাঁকাচ্ছেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। এর থেকে দাম বেশি ফেলে বিক্রি করে দেবো।’

এদিকে স্থানীয়ভাবে এই মাছ কালা পোপা নামে পরিচিত। এই মাছের পটকা থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরে রফতানি হয়। এর বায়ুথলি দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিক্যাল সুতা তৈরি করা হয়। এ জন্য পোপা মাছের এমন চড়া দাম।

টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘পোপা মাছের বায়ুথলি দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিক্যাল সুতা তৈরি করা যায় বলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই মাছের চাহিদা আছে। কারণ পোপা মাছের পেটের ভেতর ‘পদনা’ নামে একটি বিশেষ অংশ থাকে, যাকে স্থানীয়ভাবে ‘ফুলা’ বলা হয়। এই পদনা শুকিয়ে ওষুধ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে বিদেশে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়। সে কারণে পোপা মাছের দাম ও চাহিদা সাধারণের তুলনায় অনেক বেশি।’

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৮ নভেম্বর আব্দুল গণির জালে ৬০ কেজি ওজনের দুটি পোপা মাছ ধরা পড়ে। পরে মাছ দুটি ৮ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। এর আগে ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর তার জালে ৩৪ কেজি ওজনের একটি পোপা মাছ ধরা পড়ে, যা তিনি ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসেও তার জালে কয়েকটি পোপা মাছ ধরা পড়ে, যা তিনি মোট ৬ লাখ টাকায় বিক্রি করেন।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :