​আ.লীগের হাইকমান্ডকে ইঙ্গিত করে সোহেল তাজের স্ট্যাটাস

আপলোড সময় : ১১-১১-২০২৫ ০৬:১৬:১৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-১১-২০২৫ ০৯:৩০:০৪ অপরাহ্ন
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ঘোষিত আগামী ১৩ নভেম্বর ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচিকে ঘিরে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনীতির মাঠ। দেশের গণতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে এক শ্রেণির নেতাদের অরাজক কর্মকাণ্ড ও সহিংস রাজনীতি। গণহত্যা, গুম, খুন, দুর্নীতি, লুটপাট— সবকিছু পেছনে ফেলে তারা আবারও মাঠে নেমেছে নির্বাচন বানচাল করার লক্ষ্যে তথাকথিত আন্দোলনের নামে তাণ্ডব সৃষ্টির উদ্দেশ্যে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিষয়গুলো উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ।

ক্ষমতার কি লোভ-১ লাখ বেলুন নাকি বাসে আগুন? শিরোনামে দুপুরের দিকে দেওয়া ওই পোস্টে সোহেল তাজ লিখেছেন, ‘গণহত্যা, গুম-খুন করে, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার বিলুপ্ত করে, দুর্নীতি-লুটপাট করে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে তারা। সেই টাকার পাহাড়ে বসে এখন আবার অরাজকতা আর তাণ্ডব সৃষ্টি করছে—নির্বাচন বানচাল করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার লক্ষ্যে।’ 

তিনি পোস্টে বলেছেন, ‘আমার আশ্চর্য লাগে, যখন চিন্তা করি—যে এত কিছুর পরও এদেরকে আওয়ামী লীগের একটা অংশ কি করে সমর্থন করে? এর মানে একটাই—এরাই ছিল সুবিধাভোগী। আর এখন এরই পরিণতি হিসেবে খেসারত দিতে হবে নিরীহ, নিরপরাধ নেতাকর্মীদের।’

পোস্টটি তিনি সরাসরি কাদের ইঙ্গিত করে দিয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে প্রতীয়মান হয়, আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশ করেই সোহেল তাজ পোস্টটি করেছেন। কেননা, ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি তার সাবেক দলের সমালোচনায় ব্যাপক সোচ্চার। 

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :