গাজীপুরের পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের দুই মাস পর নাজমুল করিম খানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।
প্রায় দুই মাস আগে সাধারণ মানুষের যাতায়াত বন্ধ করে নাজমুল খানের কর্মস্থলে যাওয়ার ঘটনায় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে আলোচনার সৃষ্টি হয়। তখন তাকে গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
সোমবার (১০ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার তথ্য দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বরাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গাজীপুর মহানগর পুলিশের-জিএমপি কমিশনার (কর্মস্থল থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে প্রত্যাহৃত) মো. নাজমুল করিম খানকে জনস্বার্থে সরকারি কর্ম থেকে বিরত রাখা আবশ্যক ও সমীচীন। সেহেতু নাজমুল করিম খানকে সরকারি চাকরি আইনের বিধান মোতাবেক সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।
এতে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে আদেশে।
চলতি বছরের আগস্টে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জিএমপি কমিশনার নাজমুল করিম খান প্রতিদিন ঢাকার গুলশানের বাসা থেকে গাজীপুরে যাওয়ার সময় টঙ্গীর কলেজগেট এলাকায় উড়ালসড়ককে একমুখী করে দেওয়া হয়। এ সময় গাজীপুর থেকে ঢাকামুখী লেন বন্ধ করা হয়। আবার কমিশনার ঢাকায় ফেরার সময় একইভাবে গাজীপুরের ভোগড়া এলাকার উড়ালসড়ক একমুখী করে দেওয়া হয়। তখন গাজীপুরমুখী চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ও পুলিশ সদর দপ্তরের ওই প্রতিবেদনে উঠে আসে।
এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ১ সেপ্টেম্বর পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম স্বাক্ষরিত এক আদেশে জিএমপি কমিশনার থেকে নাজমুল করিম খানকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ড. নাজমুল করিম খান গত বছরের ১১ নভেম্বর জিএমপি কমিশনার পদে নিয়োগ পান। পরে গত ১ মে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রায় দুই মাস আগে সাধারণ মানুষের যাতায়াত বন্ধ করে নাজমুল খানের কর্মস্থলে যাওয়ার ঘটনায় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে আলোচনার সৃষ্টি হয়। তখন তাকে গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
সোমবার (১০ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার তথ্য দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বরাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গাজীপুর মহানগর পুলিশের-জিএমপি কমিশনার (কর্মস্থল থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে প্রত্যাহৃত) মো. নাজমুল করিম খানকে জনস্বার্থে সরকারি কর্ম থেকে বিরত রাখা আবশ্যক ও সমীচীন। সেহেতু নাজমুল করিম খানকে সরকারি চাকরি আইনের বিধান মোতাবেক সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।
এতে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে আদেশে।
চলতি বছরের আগস্টে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জিএমপি কমিশনার নাজমুল করিম খান প্রতিদিন ঢাকার গুলশানের বাসা থেকে গাজীপুরে যাওয়ার সময় টঙ্গীর কলেজগেট এলাকায় উড়ালসড়ককে একমুখী করে দেওয়া হয়। এ সময় গাজীপুর থেকে ঢাকামুখী লেন বন্ধ করা হয়। আবার কমিশনার ঢাকায় ফেরার সময় একইভাবে গাজীপুরের ভোগড়া এলাকার উড়ালসড়ক একমুখী করে দেওয়া হয়। তখন গাজীপুরমুখী চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ও পুলিশ সদর দপ্তরের ওই প্রতিবেদনে উঠে আসে।
এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ১ সেপ্টেম্বর পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম স্বাক্ষরিত এক আদেশে জিএমপি কমিশনার থেকে নাজমুল করিম খানকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ড. নাজমুল করিম খান গত বছরের ১১ নভেম্বর জিএমপি কমিশনার পদে নিয়োগ পান। পরে গত ১ মে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে