সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে দেওয়া হাইকোর্টের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। সোমবার (১০ নভেম্বর) বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
এ ছাড়া সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার জামিনের বিষয়ে এক সপ্তাহ পর আদেশের জন্য দিন রাখা হয়েছে। এরআগে গত সপ্তাহে এই দুজনই হাইকোর্টের জামিন পান।
আদালতে আজ লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
গত ২৮ আগস্ট আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান ও সাংবাদিক মনজুরুল আলমসহ কয়েকজন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিতে যান। ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজক ছিল ‘মঞ্চ ৭১’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে একদল ব্যক্তি ডিআরইউ মিলনায়তনে ঢোকেন। একপর্যায়ে তাঁরা গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে আলোচনায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।
পরে পুলিশের (ডিএমপি) একটি দল এলে তাঁরা পুলিশের কাছে লতিফ সিদ্দিকী, শেখ হাফিজুর রহমান, সাংবাদিক মনজুরুল আলমসহ অন্তত ১৬ জনকে তুলে দেন। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। পরদিন তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
সবশেষ গত ৬ নভেম্বর লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল আলম পান্নার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এস এম আব্দুল মবিন এবং বিচারপতি ছগির হোসেন লিয়নের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
তবে সেদিনই জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানায় রাষ্ট্রপক্ষ। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
এ ছাড়া সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার জামিনের বিষয়ে এক সপ্তাহ পর আদেশের জন্য দিন রাখা হয়েছে। এরআগে গত সপ্তাহে এই দুজনই হাইকোর্টের জামিন পান।
আদালতে আজ লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
গত ২৮ আগস্ট আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান ও সাংবাদিক মনজুরুল আলমসহ কয়েকজন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিতে যান। ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজক ছিল ‘মঞ্চ ৭১’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে একদল ব্যক্তি ডিআরইউ মিলনায়তনে ঢোকেন। একপর্যায়ে তাঁরা গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে আলোচনায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।
পরে পুলিশের (ডিএমপি) একটি দল এলে তাঁরা পুলিশের কাছে লতিফ সিদ্দিকী, শেখ হাফিজুর রহমান, সাংবাদিক মনজুরুল আলমসহ অন্তত ১৬ জনকে তুলে দেন। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। পরদিন তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
সবশেষ গত ৬ নভেম্বর লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল আলম পান্নার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এস এম আব্দুল মবিন এবং বিচারপতি ছগির হোসেন লিয়নের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
তবে সেদিনই জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানায় রাষ্ট্রপক্ষ। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে