পেশাগত স্বার্থের সংঘাত এড়াতে আনুষ্ঠানিকভাবে সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুমের দুই মামলা এবং রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যা মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবীর তালিকা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেছেন ব্যারিস্টার এম. সারোয়ার।
রোববার (৯ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিনি ওকালতনামা প্রত্যাহারের আবেদন করেন। গুমের দুই মামলায় জমা দেওয়া সারোয়ারসহ পাঁচজনের ওকালত বাতিল করে নতুন করে ওকালতনামা জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন ট্রাইব্যুনাল।
ব্যারিস্টার সারোয়ার পরবর্তীতে জানান, নিজের গুমের ঘটনায় একটি অভিযোগ তিনি প্রসিকিউশনে জমা দিয়েছিলেন। সেই অভিযোগে কয়েকজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার নাম রয়েছে। তাই স্বার্থের দ্বন্দ্ব থাকা অবস্থায় তিনি তাদের পক্ষের আইনজীবী থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেন।
এর আগে চলতি বছরের ২১ অক্টোবর গুমের দুই মামলায় সাবেক ১৩ জন এবং রামপুরায় ২৮ জন হত্যার মামলায় দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত।
উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগ শাসনামলে হত্যা, গুম ও নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি ১৫ সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী প্যানেল থেকেও সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন ব্যারিস্টার এম. সারোয়ার হোসেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
রোববার (৯ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিনি ওকালতনামা প্রত্যাহারের আবেদন করেন। গুমের দুই মামলায় জমা দেওয়া সারোয়ারসহ পাঁচজনের ওকালত বাতিল করে নতুন করে ওকালতনামা জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন ট্রাইব্যুনাল।
ব্যারিস্টার সারোয়ার পরবর্তীতে জানান, নিজের গুমের ঘটনায় একটি অভিযোগ তিনি প্রসিকিউশনে জমা দিয়েছিলেন। সেই অভিযোগে কয়েকজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার নাম রয়েছে। তাই স্বার্থের দ্বন্দ্ব থাকা অবস্থায় তিনি তাদের পক্ষের আইনজীবী থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেন।
এর আগে চলতি বছরের ২১ অক্টোবর গুমের দুই মামলায় সাবেক ১৩ জন এবং রামপুরায় ২৮ জন হত্যার মামলায় দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত।
উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগ শাসনামলে হত্যা, গুম ও নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি ১৫ সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী প্যানেল থেকেও সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন ব্যারিস্টার এম. সারোয়ার হোসেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে