​অবশেষে আসিয়ানের সদস্য হলো পূর্ব তিমুর

আপলোড সময় : ২৬-১০-২০২৫ ০৪:২০:৪৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-১০-২০২৫ ০৮:৩৭:১৭ অপরাহ্ন
এশিয়ার নবীনতম দেশ পূর্ব তিমুর দক্ষিণ–পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের ১১তম সদস্যদেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রোববার (২৬ অক্টোবর) আসিয়ান সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে দেশটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ দেওয়া হয়।

প্রায় অর্ধশতাব্দী আগে থেকেই পূর্ব তিমুরকে আসিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার স্বপ্ন দেখে আসছিলেন দেশটির অধিবাসীরা।

পূর্ব তিমুর এশিয়ার অন্যতম দরিদ্র দেশ। এটি তিমুর–লেস্তে নামেও পরিচিত। জনসংখ্যা ১৪ লাখ। পূর্ব তিমুর কর্তৃপক্ষের আশা, আাসিয়ানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় নবীন অর্থনীতির এ দেশটি লাভবান হবে।

১৪ বছর অপেক্ষার পর পূর্ব তিমুর আসিয়ানের সদস্যপদ পেয়েছে। যদিও এ সদস্যপদ দেশটির জন্য বিশাল কোনো পরিবর্তন আনবে বলে মনে হয় না। তবে এ স্বীকৃতিকে দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস-হোর্তা এবং প্রধানমন্ত্রী জানানা গুসমাওর জন্য প্রতীকী জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রোববার (২৬ অক্টোবর) কুয়ালালামপুরে আাসিয়ানের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে জোটের নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ব তিমুরের সদস্যপদ নিশ্চিত করেন। সম্মেলনস্থলের মঞ্চে পূর্ব তিমুরের পতাকা স্থাপনের পর সেখানে বিপুল করতালির শব্দ শোনা যায়।

পূর্ব তিমুরের প্রধানমন্ত্রী গুসমাও বলেন, এটি তার দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এর মধ্য দিয়ে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। এতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে ‘অসীম সুযোগ’ তৈরি হবে।

গুসমাও তার বক্তব্যে বলেন, তিমুর–লেস্তের জনগণের জন্য এটি শুধু একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন নয়; বরং আমাদের নতুন যাত্রার এক শক্তিশালী প্রত্যয়।

পূর্ব তিমুর তিন শতাব্দী ধরে পর্তুগিজ শাসনের অধীনে ছিল। ১৯৭৫ সালে পর্তুগিজরা হঠাৎ তাদের উপনিবেশ ছেড়ে চলে যায়। এতে প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ার জন্য এর দখল নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয় এবং সে সময় অনেক রক্তপাতও ঘটে। শেষ পর্যন্ত ২০০২ সালে পূর্ব তিমুর স্বাধীনতা লাভ করে।

৭৫ বছর বয়সী রামোস-হোর্তা ১৯৭০-এর দশকে পূর্ব তিমুরের আাসিয়ান সদস্যপদ পাওয়ার ধারণা তুলে ধরেছিলেন। আঞ্চলিক সংহতির মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার চেষ্টায় এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান হোর্তা।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :