নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বিসিকে এমএস ডায়িং, প্রিন্টিং অ্যান্ড ফিনিশিং কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয় শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। রবিবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
দগ্ধরা হলেন— কারখানাটির শ্রমিক আল আমিন (৩০), আজিজুল্লাহ (৩২), সেলিম (৩৫), জালাল মোল্লা (৪০), নাজমুল হুদা (৩৫) এবং সিকিউরিটি গার্ড সুপারভাইজার নুর মোহাম্মদ (৩৫)।
জানা যায়, ভোরে কারখানাটির নিচতলায় বয়লাররুমে কাজ করছিলেন তারা। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সেই রুমে গ্যাসলাইন থেকে বিকট একটি বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে।
এতে ছয় শ্রমিকের শরীর ঝলসে যায়। সহকর্মীরা তাদের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, দগ্ধদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সবার অবস্থাই গুরুতর। তাদের মধ্যে কার শরীরে কত শতাংশ পুড়েছে তা পরে বলা যাবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
দগ্ধরা হলেন— কারখানাটির শ্রমিক আল আমিন (৩০), আজিজুল্লাহ (৩২), সেলিম (৩৫), জালাল মোল্লা (৪০), নাজমুল হুদা (৩৫) এবং সিকিউরিটি গার্ড সুপারভাইজার নুর মোহাম্মদ (৩৫)।
জানা যায়, ভোরে কারখানাটির নিচতলায় বয়লাররুমে কাজ করছিলেন তারা। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সেই রুমে গ্যাসলাইন থেকে বিকট একটি বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে।
এতে ছয় শ্রমিকের শরীর ঝলসে যায়। সহকর্মীরা তাদের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, দগ্ধদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সবার অবস্থাই গুরুতর। তাদের মধ্যে কার শরীরে কত শতাংশ পুড়েছে তা পরে বলা যাবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন