বাণিজ্যিকভাবে নয়, দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই আবারও পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে প্যাডেল স্টিমার পিএস মাহ্সুদ। এমন মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
শুক্রবার (২৪অক্টোবর) সকাল ১০টায় পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ রুটে পিএস মাহ্সুদের যাত্রার উদ্বোধন করেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, নতুন প্রজন্মের অনেকেই জানেন না এই স্টিমার সম্পর্কে। দেশের নানা ইতিহাসের সাক্ষী এই স্টিমারকে তাদের জন্যই সচল করা হয়েছে। এখন থেকে ক্যাটারিং সার্ভিস হিসেবে ভাড়া দেওয়া হবে স্টিমারটি। পাশাপাশি সপ্তাহে একদিন চলাচল করবে ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশাল রুটে।
উপদেষ্টা জানান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাকি তিনটি স্টিমারও সংস্কার করা হচ্ছে। পিএস মাহ্সুদ স্টিমারটি সংস্কার কাজে ব্যয় হয়েছে আনুমানিক আড়াই কোটি টাকা।
আঠারো শতকের শেষ দিকে ব্রিটিশদের হাত ধরে এ অঞ্চলে শুরু হয় স্টিমার চলাচল। সে সময় কলকাতা থেকে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে চাঁদপুর হয়ে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছাতো প্যাডেল স্টিমার। নদীপ্রধান অঞ্চলে সহজ, নিরাপদ ও কম ভাড়ার কারণে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এ সার্ভিস। যা চলে বহুবছর। তবে ২০২২ সালে যাত্রী সংকট ও আর্থিক লোকসানের মুখে বন্ধ হয়ে যায় প্যাডেল স্টিমার।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
শুক্রবার (২৪অক্টোবর) সকাল ১০টায় পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ রুটে পিএস মাহ্সুদের যাত্রার উদ্বোধন করেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, নতুন প্রজন্মের অনেকেই জানেন না এই স্টিমার সম্পর্কে। দেশের নানা ইতিহাসের সাক্ষী এই স্টিমারকে তাদের জন্যই সচল করা হয়েছে। এখন থেকে ক্যাটারিং সার্ভিস হিসেবে ভাড়া দেওয়া হবে স্টিমারটি। পাশাপাশি সপ্তাহে একদিন চলাচল করবে ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশাল রুটে।
উপদেষ্টা জানান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাকি তিনটি স্টিমারও সংস্কার করা হচ্ছে। পিএস মাহ্সুদ স্টিমারটি সংস্কার কাজে ব্যয় হয়েছে আনুমানিক আড়াই কোটি টাকা।
আঠারো শতকের শেষ দিকে ব্রিটিশদের হাত ধরে এ অঞ্চলে শুরু হয় স্টিমার চলাচল। সে সময় কলকাতা থেকে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে চাঁদপুর হয়ে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছাতো প্যাডেল স্টিমার। নদীপ্রধান অঞ্চলে সহজ, নিরাপদ ও কম ভাড়ার কারণে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এ সার্ভিস। যা চলে বহুবছর। তবে ২০২২ সালে যাত্রী সংকট ও আর্থিক লোকসানের মুখে বন্ধ হয়ে যায় প্যাডেল স্টিমার।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন