ওয়ানডে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পুরো ইনিংস স্পিনারদের দিয়ে বল করাল কোনো দল। বাংলাদেশের বিপক্ষে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে স্পিন সহায়ক পিচে ৪ জেনুইন এবং ১ পার্ট টাইম স্পিনার দিয়ে বোলিং করিয়ে রেকর্ড গড়লো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেইসঙ্গে স্পিনারদের দিয়ে করা শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ ৪৪ ওভারের রেকর্ডটিও ভেঙে দিয়েছে ক্যারিবীয়ানরা।
১৯৯৬ সালে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুধুমাত্র স্পিনারদের দিয়ে ৪৪ ওভার বোলিং করিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। এই কাণ্ড একবার না, মোট তিনবার করেছে লঙ্কানরা। ১৯৯৮ সালে নিউজিল্যান্ড ও ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্পিনারদের দিয়ে ৪৪ ওভার বোলিং করাঙ শ্রীলঙ্কা।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) টস জিতে বোলিংয়ে নেমে পুরো ৫০ ওভারে একজন ফার্স্ট বোলারকেও ব্যবহার করেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলে ২ জন পেসার থাকলেও তারা শুধু ফিন্ডিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন। দলটি এর আগে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ স্পিন ওভার করানোর রেকর্ড ছিল ২০০১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, যেখানে ৩৪ ওভার স্পিন বোলিং করিয়েছিল ক্যারিবীয়রা। মিরপুরের ম্যাচে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন মাইলফলক গড়ল দলটি।
মিরপুরের এই পিচের চাহিদা মেটাতে গিয়ে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ—উভয় দলই আজ চারজন করে জেনুইন স্পিনারকে একাদশে রেখেছে। চারজন স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমে আজ প্রায় সাড়ে ৩ বছর আগের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০২২ সালে তারা চার স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমেছিল, দিনের হিসাবে যা ছিল ১ হাজার ১৯৩ দিন আগে। গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে হওয়া সেই ম্যাচের মতো আজকের ম্যাচেও বাংলাদেশের একমাত্র পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।
উল্লেখ্য, সেই স্পিন সহায়ক উইকেটে তাইজুল ইসলামের ৫ উইকেটে মাত্র ১৬৮ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ক্যারিবীয়রা। বাংলাদেশ ম্যাচটি জিতেছিল ৪ উইকেট ও ৯ বল হাতে রেখে।
আজ নির্ধারিত ৫০ ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।
ব্যাট হাতে বাংলাদেশের হয়ে সৌম্য সরকার করেছেন ৮৯ বলে ৪৫ রান, মেহেদী হাসান মিরাজ ৫৮ বলে ৩২, নুরুল হাসান সোহান ২৪ বলে ২৩ এবং রিশাদ হোসেন ১৪ বলে ৩৯। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে গুড়াকেশ মোতি নেন ৩টি উইকেট।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
১৯৯৬ সালে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুধুমাত্র স্পিনারদের দিয়ে ৪৪ ওভার বোলিং করিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। এই কাণ্ড একবার না, মোট তিনবার করেছে লঙ্কানরা। ১৯৯৮ সালে নিউজিল্যান্ড ও ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্পিনারদের দিয়ে ৪৪ ওভার বোলিং করাঙ শ্রীলঙ্কা।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) টস জিতে বোলিংয়ে নেমে পুরো ৫০ ওভারে একজন ফার্স্ট বোলারকেও ব্যবহার করেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলে ২ জন পেসার থাকলেও তারা শুধু ফিন্ডিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন। দলটি এর আগে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ স্পিন ওভার করানোর রেকর্ড ছিল ২০০১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, যেখানে ৩৪ ওভার স্পিন বোলিং করিয়েছিল ক্যারিবীয়রা। মিরপুরের ম্যাচে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন মাইলফলক গড়ল দলটি।
মিরপুরের এই পিচের চাহিদা মেটাতে গিয়ে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ—উভয় দলই আজ চারজন করে জেনুইন স্পিনারকে একাদশে রেখেছে। চারজন স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমে আজ প্রায় সাড়ে ৩ বছর আগের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০২২ সালে তারা চার স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমেছিল, দিনের হিসাবে যা ছিল ১ হাজার ১৯৩ দিন আগে। গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে হওয়া সেই ম্যাচের মতো আজকের ম্যাচেও বাংলাদেশের একমাত্র পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।
উল্লেখ্য, সেই স্পিন সহায়ক উইকেটে তাইজুল ইসলামের ৫ উইকেটে মাত্র ১৬৮ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ক্যারিবীয়রা। বাংলাদেশ ম্যাচটি জিতেছিল ৪ উইকেট ও ৯ বল হাতে রেখে।
আজ নির্ধারিত ৫০ ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।
ব্যাট হাতে বাংলাদেশের হয়ে সৌম্য সরকার করেছেন ৮৯ বলে ৪৫ রান, মেহেদী হাসান মিরাজ ৫৮ বলে ৩২, নুরুল হাসান সোহান ২৪ বলে ২৩ এবং রিশাদ হোসেন ১৪ বলে ৩৯। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে গুড়াকেশ মোতি নেন ৩টি উইকেট।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে