দাবি আদায়ে নবম দিনের মতো আন্দোলন করছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা। তিন দফা দাবি মেনে প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন তাঁরা।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
তাঁরা বলেন, বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ বা ন্যূনতম দুই হাজার টাকা নির্ধারণের সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবতা বিবর্জিত। তারা মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশ করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
এদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি অবিলম্বে সরকারকে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দুপুরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী আয়োজিত মহাসমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাদের দাবি ও আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা।
এ্যানি বলেন, ইতিমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে। কিন্তু ২০ শতাংশ হয়তো পাননি। ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া পর্যাপ্ত নয়, বিশেষ বিবেচনা করতে হবে। তবে এখন এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যেখানে মানুষের যেন ক্ষতি না হয়।’
এসময় শিক্ষকদের সুশৃঙ্খলভাবে ৯ দিন ধরে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর বাড়িভাড়া ৫০০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু ৫ অক্টোবর ঘোষণাটি প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষক-কর্মচারীরা তা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনের ডাক দেন। পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাড়িভাড়া ভাতা অন্তত দুই হাজার বা তিন হাজার টাকা করার প্রস্তাব অর্থ বিভাগে পাঠায়।
রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মচারীদের ‘ভুখা মিছিল’ কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হয়। শহীদ মিনার থেকে শিক্ষা ভবনের দিকে যাত্রা শুরু করলে হাইকোর্টের মাজার গেটে পুলিশ ও বিজিবির বাধার মুখে পড়েন তারা। পরে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে শিক্ষক-কর্মচারীরা শহীদ মিনারে ফিরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। সন্ধ্যায় সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী আমরণ অনশন কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
তাঁরা বলেন, বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ বা ন্যূনতম দুই হাজার টাকা নির্ধারণের সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবতা বিবর্জিত। তারা মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশ করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
এদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি অবিলম্বে সরকারকে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দুপুরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী আয়োজিত মহাসমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাদের দাবি ও আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা।
এ্যানি বলেন, ইতিমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে। কিন্তু ২০ শতাংশ হয়তো পাননি। ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া পর্যাপ্ত নয়, বিশেষ বিবেচনা করতে হবে। তবে এখন এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যেখানে মানুষের যেন ক্ষতি না হয়।’
এসময় শিক্ষকদের সুশৃঙ্খলভাবে ৯ দিন ধরে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর বাড়িভাড়া ৫০০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু ৫ অক্টোবর ঘোষণাটি প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষক-কর্মচারীরা তা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনের ডাক দেন। পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাড়িভাড়া ভাতা অন্তত দুই হাজার বা তিন হাজার টাকা করার প্রস্তাব অর্থ বিভাগে পাঠায়।
রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মচারীদের ‘ভুখা মিছিল’ কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হয়। শহীদ মিনার থেকে শিক্ষা ভবনের দিকে যাত্রা শুরু করলে হাইকোর্টের মাজার গেটে পুলিশ ও বিজিবির বাধার মুখে পড়েন তারা। পরে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে শিক্ষক-কর্মচারীরা শহীদ মিনারে ফিরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। সন্ধ্যায় সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী আমরণ অনশন কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে