মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় পানিতে পড়ে একইসঙ্গে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির পাশের খালের পানিতে গোসল করতে গিয়ে ওই তিন শিশুর মৃত্যু হয়।
মহম্মদপুর থানার ওসি আব্দুর রহমান জানান, শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে বালিদিয়া ইউনিয়নের চাপাতলা গ্রামে ঘটা এমন ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মৃত শিশুরা হল- ওই গ্রামের আনারুল ইসলামের মেয়ে তারিন (৯), সাজ্জাদের হোসেনের মেয়ে সিনথিয়া (৮) এবং মো. তরিকুল ইসলামের মেয়ে মেয়ে তানহা (৯)।
শিশুদের পরিবারের সদস্য আব্দুল হান্নান বলেন, শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশের চাপাতলা খালের পানিতে গোসল করতে শিশু তিনটি বাড়ি থেকে বের হয়। দুপুর ৩টার দিকে তারা খালে নামে। তিন শিশুই সাঁতার জানত। ধারণা করা হচ্ছে, খালে সে সময় তীব্র স্রোত ছিল এবং গভীরতাও ছিল অনেক বেশি। স্রোতের কারণেই তারা একে একে পানিতে তলিয়ে যায়।
এর মধ্যে পাশে পানিতে পাট ধোয়ার কাজে ব্যস্ত থাকা কয়েকজন জানতে পারেন একাধিক শিশু খালে ডুবে গেছে। তারা দ্রুত তল্লাশি চালিয়ে একে একে তিনটি শিশুকেই উদ্ধার করে।
তাদের দ্রুত মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসাদুর রহমান তিনটি শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আব্দুর রহমান জানান, তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে খালের পানির গভীরতা বেশি থাকায় শিশুরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারেনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
মহম্মদপুর থানার ওসি আব্দুর রহমান জানান, শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে বালিদিয়া ইউনিয়নের চাপাতলা গ্রামে ঘটা এমন ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মৃত শিশুরা হল- ওই গ্রামের আনারুল ইসলামের মেয়ে তারিন (৯), সাজ্জাদের হোসেনের মেয়ে সিনথিয়া (৮) এবং মো. তরিকুল ইসলামের মেয়ে মেয়ে তানহা (৯)।
শিশুদের পরিবারের সদস্য আব্দুল হান্নান বলেন, শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশের চাপাতলা খালের পানিতে গোসল করতে শিশু তিনটি বাড়ি থেকে বের হয়। দুপুর ৩টার দিকে তারা খালে নামে। তিন শিশুই সাঁতার জানত। ধারণা করা হচ্ছে, খালে সে সময় তীব্র স্রোত ছিল এবং গভীরতাও ছিল অনেক বেশি। স্রোতের কারণেই তারা একে একে পানিতে তলিয়ে যায়।
এর মধ্যে পাশে পানিতে পাট ধোয়ার কাজে ব্যস্ত থাকা কয়েকজন জানতে পারেন একাধিক শিশু খালে ডুবে গেছে। তারা দ্রুত তল্লাশি চালিয়ে একে একে তিনটি শিশুকেই উদ্ধার করে।
তাদের দ্রুত মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসাদুর রহমান তিনটি শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আব্দুর রহমান জানান, তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে খালের পানির গভীরতা বেশি থাকায় শিশুরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারেনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে