ওয়ারেন্টভুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে: সেনাসদর

আপলোড সময় : ১১-১০-২০২৫ ০৬:২১:৪১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-১০-২০২৫ ০৮:৩০:১৮ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সামরিক বাহিনীর যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন, তাঁর মধ্যে ১৫ জনকে হেফাজতে নিয়েছে সেনাসদর। তবে মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদকে পাওয়া যাচ্ছে না।

শনিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসের মেস আলফাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান। তিনি জানান, পরোয়ানা থাকা সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগ আমলের গুমের ঘটনায় দুটি মামলায় ট্রাইব্যুনাল বুধবার (৮ অক্টোবর) ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেন। তাঁদের মধ্যে ২৫ জনই সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা।

পরোয়ানা জারির দিনই তা সংশ্লিষ্ট ১৩টি দপ্তরে পাঠানোর কথা জানিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর কর্মকর্তারা।

তবে আজ সংবাদ সম্মেলনে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান সেই পরোয়ানা এখনো না পাওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, তবে এরই মধ্যে তাঁরা পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তিনি জানান, ২৫জন সেনা সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে অবসরে আছেন ৯ জন, এলপিআরএ একজন আর সেনাবাহিনীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন ১৫ জন। ৮ অক্টোবর চার্জশিট দাখিলের পর এলপিআর ও সার্ভিসে থাকা ১৬ জনকে সেনাসদরে সংযুক্ত করা হয়। তাদের ৯ অক্টোবরের মধ্যে সেনাসদরে আসার নির্দেশনা দেয়া হয়। মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ছাড়া বাকি ১৫ জন রেসপন্স করেছেন। তাদেরকে হেফাজতে রাখা হয়েছে। তারা ফ্যামিলি থেকে ডিটাচ আছে।

কবীর আহাম্মাদের বিষয়ে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, তিনি ৯ অক্টোবর সকালে বাসা থেকে বের হয়েছেন। এর পর থেকে তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। ডিজিএফআই, এনএসআই ও বিজিবিকে বলা হয়েছে যেন তিনি দেশত্যাগ করতে না পারেন।

সেনাবাহিনী সংবিধান স্বীকৃত সব আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :