২০২৫ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন হাঙ্গেরীয় লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই। মনোমুগ্ধকর ও দূরদর্শী লেখনির জন্য তাঁকে এ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করেছে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সুইডিশ একাডেমি জানায়, ক্রাসনাহোরকাইয়ের রচনা গভীর দার্শনিক ভাবনা ও অনন্য ভাষাশৈলীতে মানব অভিজ্ঞতার জটিলতাকে প্রকাশ করেছে। তাঁর লেখনি বৈশ্বিক অস্থিরতা ও ভয়াবহতার মধ্যেও শিল্পের স্থায়ী শক্তি ও মানবতার আশা পুনরায় প্রতিষ্ঠা করেছে।
১৯০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১১৭ বার সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়েছে। আর সবমিলিয়ে ১২১ সাহিত্যিক নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ জন হলেন নারী। এছাড়া চারবার যৌথভাবে একাধিক ব্যক্তিকে সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়েছে।
লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই ১৯৫৪ সালে রোমানিয়ার সীমান্তের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব হাঙ্গেরির ছোট শহর জিউলাতে জন্মগ্রহণ করেন। অনুরূপ একটি প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলই হলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের প্রথম উপন্যাস সাতানটাঙ্গোর (১৯৮৫ সালে প্রথম প্রকাশিত) প্রেক্ষাপট।
এই উপন্যাসে হাঙ্গেরির গ্রামীণ এক পরিত্যক্ত সমবায় খামারে বাস করা একদল দরিদ্র মানুষের কথা বলা হয়েছে। সমাজতন্ত্রের পতনের ঠিক আগমুহূর্তে যাঁরা অনিশ্চয়তা ও নিরাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
এই উপন্যাসটি হাঙ্গেরির সাহিত্য জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই লেখকের ব্রেকথ্রু কাজ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে এই উপন্যাস।
আমেরিকান সমালোচক সুজান সোনট্যাগ লেখকের দ্বিতীয় উপন্যাস দ্য মেলানকোলি অব রেজিসট্যান্স (১৯৮৯ সালে প্রকাশিত, ইংরেজি অনুবাদ ১৯৯৮) পড়ে ক্রাসনাহোরকাইকে বলেছিলেন সমসাময়িক সাহিত্যের ‘অ্যাপোক্যালিপসের মাস্টার’।
লাসলো ক্রাসনাহোরকাই মধ্য ইউরোপীয় ঐতিহ্যের একজন মহাকাব্যিক লেখক। এই ধারার পরিচিত লেখক হলেন কাফকা। তিনি ২০১৫ সালে ম্যান বুকার ইন্টারন্যাশনাল পুরস্কার এবং ২০১৯ সালে ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড ফর ট্রান্সলেটেড লিটারেচার জেতেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সুইডিশ একাডেমি জানায়, ক্রাসনাহোরকাইয়ের রচনা গভীর দার্শনিক ভাবনা ও অনন্য ভাষাশৈলীতে মানব অভিজ্ঞতার জটিলতাকে প্রকাশ করেছে। তাঁর লেখনি বৈশ্বিক অস্থিরতা ও ভয়াবহতার মধ্যেও শিল্পের স্থায়ী শক্তি ও মানবতার আশা পুনরায় প্রতিষ্ঠা করেছে।
১৯০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১১৭ বার সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়েছে। আর সবমিলিয়ে ১২১ সাহিত্যিক নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ জন হলেন নারী। এছাড়া চারবার যৌথভাবে একাধিক ব্যক্তিকে সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়েছে।
লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই ১৯৫৪ সালে রোমানিয়ার সীমান্তের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব হাঙ্গেরির ছোট শহর জিউলাতে জন্মগ্রহণ করেন। অনুরূপ একটি প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলই হলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের প্রথম উপন্যাস সাতানটাঙ্গোর (১৯৮৫ সালে প্রথম প্রকাশিত) প্রেক্ষাপট।
এই উপন্যাসে হাঙ্গেরির গ্রামীণ এক পরিত্যক্ত সমবায় খামারে বাস করা একদল দরিদ্র মানুষের কথা বলা হয়েছে। সমাজতন্ত্রের পতনের ঠিক আগমুহূর্তে যাঁরা অনিশ্চয়তা ও নিরাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
এই উপন্যাসটি হাঙ্গেরির সাহিত্য জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই লেখকের ব্রেকথ্রু কাজ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে এই উপন্যাস।
আমেরিকান সমালোচক সুজান সোনট্যাগ লেখকের দ্বিতীয় উপন্যাস দ্য মেলানকোলি অব রেজিসট্যান্স (১৯৮৯ সালে প্রকাশিত, ইংরেজি অনুবাদ ১৯৯৮) পড়ে ক্রাসনাহোরকাইকে বলেছিলেন সমসাময়িক সাহিত্যের ‘অ্যাপোক্যালিপসের মাস্টার’।
লাসলো ক্রাসনাহোরকাই মধ্য ইউরোপীয় ঐতিহ্যের একজন মহাকাব্যিক লেখক। এই ধারার পরিচিত লেখক হলেন কাফকা। তিনি ২০১৫ সালে ম্যান বুকার ইন্টারন্যাশনাল পুরস্কার এবং ২০১৯ সালে ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড ফর ট্রান্সলেটেড লিটারেচার জেতেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে