সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বিভিন্ন এলাকায় গত দুই দিন ধরে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এতে করে উপজেলায় জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে। বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের জনজীবনেও।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল থেকে উপকূলের আকাশে সূর্যের দেখা মেলেনি। একটু পর পরই হচ্ছে বৃষ্টি। এতে চরম দুর্ভোগে নিম্নআয়ের মানুষ এবং কুয়াকাটায় আগত পর্যটকরা।
টানা বৃষ্টির কারণে কলাপাড়ার নিম্নাঞ্চলগুলোতে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ও আমন ধানের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে বর্ষাকালীন সবজি চাষিরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বিশেষ করে নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন পড়েছেন সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে। রিকশাচালক, দিনমজুর ও পথের হকারদের দৈনন্দিন জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়।
ঢাকার মিরপুর থেকে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটক সরোয়ার হোসাইন বলেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে কুয়াকাটায় ঘুরতে এসেছিলাম, কিন্তু হঠাৎ বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোথাও ভালোভাবে ঘোরা হলো না। সমুদ্র সৈকতে গেলেও গোসল করা সম্ভব হলো না, ঢেউ অনেক বড়, আর বৃষ্টি প্রায় থামেই না। হোটেলের ভেতরেই সময় কাটাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতির জন্য আমরা একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। অনেক খরচ করে এখানে এসেছি, কিন্তু ঠিকমতো উপভোগ করতে পারছি না।
কুয়াকাটা চৌরাস্তার ক্ষুদ্র ফল ব্যবসায়ী রাসেল সুকানি বলেন, আমি সব সময় রাস্তার পাশে বসেই ফল বিক্রি করি। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ হলে আমরা দুর্ভোগে পড়ে যাই। এর কারণ বৃষ্টিতে বেচা-বিক্রি কমে যায় এবং অনেক ফল নষ্ট হয়। এরকম আমার মতো অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রয়েছে যারা রাস্তার পাশে দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করে।
জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কলাপাড়ায় ৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে এবং আগামী ৭২ ঘণ্টায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল থেকে উপকূলের আকাশে সূর্যের দেখা মেলেনি। একটু পর পরই হচ্ছে বৃষ্টি। এতে চরম দুর্ভোগে নিম্নআয়ের মানুষ এবং কুয়াকাটায় আগত পর্যটকরা।
টানা বৃষ্টির কারণে কলাপাড়ার নিম্নাঞ্চলগুলোতে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ও আমন ধানের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে বর্ষাকালীন সবজি চাষিরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বিশেষ করে নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন পড়েছেন সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে। রিকশাচালক, দিনমজুর ও পথের হকারদের দৈনন্দিন জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়।
ঢাকার মিরপুর থেকে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটক সরোয়ার হোসাইন বলেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে কুয়াকাটায় ঘুরতে এসেছিলাম, কিন্তু হঠাৎ বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোথাও ভালোভাবে ঘোরা হলো না। সমুদ্র সৈকতে গেলেও গোসল করা সম্ভব হলো না, ঢেউ অনেক বড়, আর বৃষ্টি প্রায় থামেই না। হোটেলের ভেতরেই সময় কাটাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতির জন্য আমরা একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। অনেক খরচ করে এখানে এসেছি, কিন্তু ঠিকমতো উপভোগ করতে পারছি না।
কুয়াকাটা চৌরাস্তার ক্ষুদ্র ফল ব্যবসায়ী রাসেল সুকানি বলেন, আমি সব সময় রাস্তার পাশে বসেই ফল বিক্রি করি। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ হলে আমরা দুর্ভোগে পড়ে যাই। এর কারণ বৃষ্টিতে বেচা-বিক্রি কমে যায় এবং অনেক ফল নষ্ট হয়। এরকম আমার মতো অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রয়েছে যারা রাস্তার পাশে দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করে।
জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কলাপাড়ায় ৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে এবং আগামী ৭২ ঘণ্টায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে