গাজায় ত্রাণবাহী নৌবহর আটকের প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বিশ্ব মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, ফিলিস্তিন সম্পূর্ণ মুক্ত ও স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত তাদের লড়াই ও সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে, ফিলিস্তিন মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবো।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আয়োজিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক গাজামুখী প্রায় ৪০টি ত্রাণবাহী জাহাজ আটক এবং সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গসহ শত শত কর্মীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, নিষ্ঠুর ইসরাইল বাহিনী ফিলিস্তিনের গাজায় একের পর এক গণহত্যা পরিচালনা করছে। এই গণহত্যার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে নারী এবং শিশুরা, ফিলিস্তিনের সাধারণ জনগণ। কিন্তু আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা বিক্ষোভ মিছিল করছি। সারা দুনিয়া এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে, এই গণহত্যার বিরুদ্ধে, এই নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে, এই শিশু হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে।
তিনি ত্রাণবাহী জাহাজে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে মত দিয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিন ও গাজাকে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পরও বিশ্বের কিছু শক্তিধর দেশ ছোট্ট ইসরায়েলের পক্ষে অস্ত্র ও সমর্থন দিয়ে এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে। তাঁর মতে, এই অনৈতিক সহায়তা মানবতার বিরুদ্ধে এক ধরনের খেলায় রূপ নিয়েছে। শহীদের রক্তের বিনিময়ে ফিলিস্তিন স্বাধীনতা অর্জন করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
রফিকুল ইসলাম অবিলম্বে ইসরায়েলের হাতকে দমন ও দখল হওয়া অঞ্চলগুলো দ্রুত মুক্ত ঘোষণা করতে এবং ত্রাণবাহী জাহাজের কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশ সরকারের নিন্দা ও মুক্তির দাবিকেও স্বাগত জানান।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও এতে অংশ নেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, ফিলিস্তিন সম্পূর্ণ মুক্ত ও স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত তাদের লড়াই ও সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে, ফিলিস্তিন মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবো।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আয়োজিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক গাজামুখী প্রায় ৪০টি ত্রাণবাহী জাহাজ আটক এবং সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গসহ শত শত কর্মীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, নিষ্ঠুর ইসরাইল বাহিনী ফিলিস্তিনের গাজায় একের পর এক গণহত্যা পরিচালনা করছে। এই গণহত্যার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে নারী এবং শিশুরা, ফিলিস্তিনের সাধারণ জনগণ। কিন্তু আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা বিক্ষোভ মিছিল করছি। সারা দুনিয়া এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে, এই গণহত্যার বিরুদ্ধে, এই নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে, এই শিশু হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে।
তিনি ত্রাণবাহী জাহাজে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে মত দিয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিন ও গাজাকে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পরও বিশ্বের কিছু শক্তিধর দেশ ছোট্ট ইসরায়েলের পক্ষে অস্ত্র ও সমর্থন দিয়ে এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে। তাঁর মতে, এই অনৈতিক সহায়তা মানবতার বিরুদ্ধে এক ধরনের খেলায় রূপ নিয়েছে। শহীদের রক্তের বিনিময়ে ফিলিস্তিন স্বাধীনতা অর্জন করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
রফিকুল ইসলাম অবিলম্বে ইসরায়েলের হাতকে দমন ও দখল হওয়া অঞ্চলগুলো দ্রুত মুক্ত ঘোষণা করতে এবং ত্রাণবাহী জাহাজের কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশ সরকারের নিন্দা ও মুক্তির দাবিকেও স্বাগত জানান।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও এতে অংশ নেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে