জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা সাক্ষ্য দিচ্ছেন।
দুপুর ১টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল এই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করে। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত রয়েছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ ও আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ আরও অনেকে।
সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তানভীর হাসান জোহা ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বেশ কয়েকটি ফোনালাপ বাজিয়ে শোনান। তদন্তের সময় এগুলো জব্দ করা হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। আদালতের ওয়েবসাইটসহ সব ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে তাঁর জবানবন্দি সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছে।
এদিকে, আজ সকাল থেকেই রাজসাক্ষী হিসেবে হাজির সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন আদালতে উপস্থিত আছেন। তাঁর সামনেই সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। মামলার অন্যতম আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়ে ওঠা মামুন গত ২ সেপ্টেম্বর ৩৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। ৪ সেপ্টেম্বর শেষ হয় তাঁর জেরা। সে সময় তিনি জানান, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের নির্দেশে জুলাই-আগস্টে গণহত্যা সংঘটিত হয়। এ জন্য তিনি ক্ষমা চান এবং অজানা অনেক তথ্য প্রকাশ করেন।
গত ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বরও একাধিক সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী ৪৯তম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন। এরপর ৪৫ নম্বর সাক্ষী শাহেদ জোবায়ের লরেন্স তাঁর অবশিষ্ট বক্তব্য শেষ করেন। এছাড়া তদন্ত সংস্থার রেকর্ড ও লাইব্রেরি ইনচার্জ মো. কামরুল হোসাইন এবং আনিসুর রহমান জব্দ তালিকার সাক্ষী হিসেবে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের জেরা করেছে স্টেট ডিফেন্স টিম।
মামলায় মোট ৮১ জন সাক্ষী রাখা হয়েছে। প্রসিকিউশনের অভিযোগপত্র ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার, যেখানে তথ্যসূত্র, জব্দ তালিকা ও শহীদদের তালিকা যুক্ত আছে বিস্তারিতভাবে। গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে ট্রাইব্যুনাল।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
দুপুর ১টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল এই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করে। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত রয়েছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ ও আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ আরও অনেকে।
সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তানভীর হাসান জোহা ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বেশ কয়েকটি ফোনালাপ বাজিয়ে শোনান। তদন্তের সময় এগুলো জব্দ করা হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। আদালতের ওয়েবসাইটসহ সব ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে তাঁর জবানবন্দি সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছে।
এদিকে, আজ সকাল থেকেই রাজসাক্ষী হিসেবে হাজির সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন আদালতে উপস্থিত আছেন। তাঁর সামনেই সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। মামলার অন্যতম আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়ে ওঠা মামুন গত ২ সেপ্টেম্বর ৩৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। ৪ সেপ্টেম্বর শেষ হয় তাঁর জেরা। সে সময় তিনি জানান, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের নির্দেশে জুলাই-আগস্টে গণহত্যা সংঘটিত হয়। এ জন্য তিনি ক্ষমা চান এবং অজানা অনেক তথ্য প্রকাশ করেন।
গত ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বরও একাধিক সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী ৪৯তম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন। এরপর ৪৫ নম্বর সাক্ষী শাহেদ জোবায়ের লরেন্স তাঁর অবশিষ্ট বক্তব্য শেষ করেন। এছাড়া তদন্ত সংস্থার রেকর্ড ও লাইব্রেরি ইনচার্জ মো. কামরুল হোসাইন এবং আনিসুর রহমান জব্দ তালিকার সাক্ষী হিসেবে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের জেরা করেছে স্টেট ডিফেন্স টিম।
মামলায় মোট ৮১ জন সাক্ষী রাখা হয়েছে। প্রসিকিউশনের অভিযোগপত্র ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার, যেখানে তথ্যসূত্র, জব্দ তালিকা ও শহীদদের তালিকা যুক্ত আছে বিস্তারিতভাবে। গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে ট্রাইব্যুনাল।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন