রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় কিছু শিক্ষার্থী বাড়িতে চলে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে শাখা ছাত্রদলসহ রাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৫টি প্যানেল ও স্বতন্ত্র পদপ্রার্থীদের একাংশ। এতে ভোটার উপস্থিতি কমে যাওয়ার অভিযোগ করে তারা নির্বাচন পেছানোর দাবি তুলেছেন। তবে, এই দাবিকে হেরে যাওয়ার ভয় থেকে নির্বাচন পেছানোর অপরাজনীতি বলে দাবি করেছে শাখা ছাত্রশিবির।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাকসু কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’-এর ভিপি পদপ্রার্থী ও শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ এই দাবি করেন।
মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, আমাদের একেবারে বোল্ড স্টেটমেন্ট, ২৫ তারিখের নির্বাচন ২৫ তারিখেই হতে হবে। নির্বাচন পেছানোর অপরাজনীতি যারা করছে তারা শিক্ষার্থীদের সাথে আসলে বেঈমানি করছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয় কিংবা ভালো ফলাফল না পাওয়ার আশঙ্কা থেকেই প্রতিপক্ষ এমন দাবি তুলছে বলে শিক্ষার্থীদের ধারণা।
কর্মবিরতির কারণে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাওয়ার শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই ক্যাম্পাসে আছে কিন্ত দুই-একজন যারা চলে যেতে চাচ্ছে তারা একারণেই চলে যেতে চাচ্ছে যে, আগামী ২৫ তারিখ নির্বাচন হবে কি না, সেটার ব্যাপারে তারা সন্দিহান। এখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর শিক্ষার্থীদের।
এর আগে, রাকসু প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে দেখা করে বেশ কিছু দাবি জানায় তারা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাকসু কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’-এর ভিপি পদপ্রার্থী ও শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ এই দাবি করেন।
মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, আমাদের একেবারে বোল্ড স্টেটমেন্ট, ২৫ তারিখের নির্বাচন ২৫ তারিখেই হতে হবে। নির্বাচন পেছানোর অপরাজনীতি যারা করছে তারা শিক্ষার্থীদের সাথে আসলে বেঈমানি করছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয় কিংবা ভালো ফলাফল না পাওয়ার আশঙ্কা থেকেই প্রতিপক্ষ এমন দাবি তুলছে বলে শিক্ষার্থীদের ধারণা।
কর্মবিরতির কারণে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাওয়ার শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই ক্যাম্পাসে আছে কিন্ত দুই-একজন যারা চলে যেতে চাচ্ছে তারা একারণেই চলে যেতে চাচ্ছে যে, আগামী ২৫ তারিখ নির্বাচন হবে কি না, সেটার ব্যাপারে তারা সন্দিহান। এখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর শিক্ষার্থীদের।
এর আগে, রাকসু প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে দেখা করে বেশ কিছু দাবি জানায় তারা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে