গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থা উন্নতি হওয়ায় মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বিকালে পৌনে ৫টার দিকে তিনি অ্যাম্বুলান্সে করে হাসপাতাল ছাড়েন।
হাসপাতাল পরিচালক বলেন, ‘ঘটনার দিনই তাকে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি ভিত্তিতে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করা হয়। সারা রাত ধরে চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা চালিয়ে যান। পরে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে আরও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে ১০ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয় এবং তাদের তত্ত্বাবধানে নুরুল হক নুরের চিকিৎসা চলতে থাকে। আজ ভিআইপি কেবিন থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’
গত ২৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। পরে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলপ্রয়োগ করে। পরে সংবাদ সম্মেলন করার সময় লাঠিচার্জে গণঅধিকার নেতা নুরুল হক নুর এবং দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থা উন্নতি হওয়ায় মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বিকালে পৌনে ৫টার দিকে তিনি অ্যাম্বুলান্সে করে হাসপাতাল ছাড়েন।
হাসপাতাল পরিচালক বলেন, ‘ঘটনার দিনই তাকে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি ভিত্তিতে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করা হয়। সারা রাত ধরে চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা চালিয়ে যান। পরে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে আরও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে ১০ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয় এবং তাদের তত্ত্বাবধানে নুরুল হক নুরের চিকিৎসা চলতে থাকে। আজ ভিআইপি কেবিন থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’
গত ২৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। পরে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলপ্রয়োগ করে। পরে সংবাদ সম্মেলন করার সময় লাঠিচার্জে গণঅধিকার নেতা নুরুল হক নুর এবং দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে