ফরিদপুরের ভাঙ্গায় চলমান তৃতীয় ধাপের অবরোধের দ্বিতীয় দিনে উপজেলা পরিষদ ও থানায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিএ কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, হাজার হাজার আন্দোলনকারী উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ইউএনওর অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তারা একে একে প্রতিটি দপ্তরে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়ে জরুরি জিনিসপত্র ও কম্পিউটার নিয়ে যায়। পরে তারা সেখানে আগুন দেয়। আমরা জীবন ভিক্ষা চেয়ে পালিয়ে বেরিয়েছি। ইউএনও অক্ষত আছেন।
এদিন সকাল থেকেই অবরোধকারীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। পুলিশও সতর্ক অবস্থানে ছিল। পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি আশপাশের ইউনিয়নগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর হাজার হাজার আন্দোলনকারী ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে জড়ো হতে শুরু করে।
এর আগে ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন থেকে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন কেটে ফরিদপুর-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে পরপর দুইবার তিন দিনের সড়ক অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিএ কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, হাজার হাজার আন্দোলনকারী উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ইউএনওর অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তারা একে একে প্রতিটি দপ্তরে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়ে জরুরি জিনিসপত্র ও কম্পিউটার নিয়ে যায়। পরে তারা সেখানে আগুন দেয়। আমরা জীবন ভিক্ষা চেয়ে পালিয়ে বেরিয়েছি। ইউএনও অক্ষত আছেন।
এদিন সকাল থেকেই অবরোধকারীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। পুলিশও সতর্ক অবস্থানে ছিল। পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি আশপাশের ইউনিয়নগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর হাজার হাজার আন্দোলনকারী ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে জড়ো হতে শুরু করে।
এর আগে ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন থেকে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন কেটে ফরিদপুর-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে পরপর দুইবার তিন দিনের সড়ক অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে