রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবীনগর এলাকায় ছিনতাইয়ের অভিযোগে গণপিটুনিতে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রক্তচোষা জনি গ্রুপের নাটা ফয়সল ও শরীফ নামে দুজন আহত হয়েছেন। বর্তমানে তারা পুলিশের হেফাজতে আছেন।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোরে দুই দফায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— সুজন ওরফে বাবুল (১৯) ও হানিফ (২৬)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতেই নবীনগর ও বসিলা ৪০ ফিট এলাকার খালের সাঁকোর কাছে কয়েক জন ছিনতাইকারী ধারালো অস্ত্র নিয়ে ছিনতাই করে। পরে ভোর ৪টার দিকে আবারও ছিনতাই করতে আসলে এলাকাবাসী চার জনকে ধরে গণপিটুনি দেয়।
তারা আরও জানান, নিহত সুজন ওরফে বাবলু এবং আহত ফয়সাল ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য জনি ওরফে ‘রক্তচোষা জনি’র ঘনিষ্ঠ। দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকায় তারা প্রকাশ্যে ছিনতাই করে আসছিল। বহুবার গ্রেফতার হলেও অল্পদিনের মধ্যেই জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই কাজে জড়িয়ে পড়ে।
ওসি কাজী রফিক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক হানিফ ও সুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। শরীফ ও জুয়েল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। নিহত ও আহত চার জনই এলাকায় সক্রিয় ছিনতাইকারী হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোরে দুই দফায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— সুজন ওরফে বাবুল (১৯) ও হানিফ (২৬)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতেই নবীনগর ও বসিলা ৪০ ফিট এলাকার খালের সাঁকোর কাছে কয়েক জন ছিনতাইকারী ধারালো অস্ত্র নিয়ে ছিনতাই করে। পরে ভোর ৪টার দিকে আবারও ছিনতাই করতে আসলে এলাকাবাসী চার জনকে ধরে গণপিটুনি দেয়।
তারা আরও জানান, নিহত সুজন ওরফে বাবলু এবং আহত ফয়সাল ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য জনি ওরফে ‘রক্তচোষা জনি’র ঘনিষ্ঠ। দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকায় তারা প্রকাশ্যে ছিনতাই করে আসছিল। বহুবার গ্রেফতার হলেও অল্পদিনের মধ্যেই জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই কাজে জড়িয়ে পড়ে।
ওসি কাজী রফিক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক হানিফ ও সুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। শরীফ ও জুয়েল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। নিহত ও আহত চার জনই এলাকায় সক্রিয় ছিনতাইকারী হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন