জনবল সংকটে ধুঁকছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। তাই যানবাহনের ফিটনেস সার্টিফিকেট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহের কাজ বেসরকারি খাতে না দিয়ে সংস্থাটির সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অটোরিকশা, অটোটেম্পো, ট্যাক্সিকাব চালক শ্রমিক ফেডারেশন। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ মোল্লা এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সড়ক পরিবহন উপদেষ্টার কাছে জমা দেন।
চিঠিতে বলা হয়, সরকারের উদ্যোগে ফিটনেস ও লাইসেন্স প্রদানের দায়িত্ব বেসরকারি খাতে দিলে দুর্নীতি ও অনিয়ম আরও বাড়বে। অতীতে লাইসেন্স প্রিন্টিংয়ের দায়িত্ব মাদ্রাজ সিকিউরিটিজ, টাইগার আইটি ও সিএনএসকে দেওয়া হলেও সেবাগ্রহীতারা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাননি।
সংগঠনটি জানায়, ১৯৮৩ সালে মাত্র ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে যাত্রা শুরু করা বিআরটিএতে বর্তমানে জনবল বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০০। তবে সেবার তুলনায় এই সংখ্যা অনেক কম। সারাদেশে অন্তত ৩ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ না দিলে বাড়তি চাপ সামলানো সম্ভব নয়।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঢাকার মিরপুর সার্কেল ও এপিবিএন পল্লবী এলাকায় প্রতিদিন তিন হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোগত সংকটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে সেবাগ্রহীতাদের। এ সুযোগে দালালচক্র সক্রিয় হয়ে উঠছে।
এতে বলা হয়, বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল–১ এ পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস কার্যক্রম চালু করেছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ ব্যবস্থা চালু হলে সেবার গতি বাড়বে।
চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা গেলে ফিটনেস ও লাইসেন্স সরবরাহের দায়িত্ব বেসরকারি খাতে দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
চিঠিতে বলা হয়, সরকারের উদ্যোগে ফিটনেস ও লাইসেন্স প্রদানের দায়িত্ব বেসরকারি খাতে দিলে দুর্নীতি ও অনিয়ম আরও বাড়বে। অতীতে লাইসেন্স প্রিন্টিংয়ের দায়িত্ব মাদ্রাজ সিকিউরিটিজ, টাইগার আইটি ও সিএনএসকে দেওয়া হলেও সেবাগ্রহীতারা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাননি।
সংগঠনটি জানায়, ১৯৮৩ সালে মাত্র ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে যাত্রা শুরু করা বিআরটিএতে বর্তমানে জনবল বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০০। তবে সেবার তুলনায় এই সংখ্যা অনেক কম। সারাদেশে অন্তত ৩ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ না দিলে বাড়তি চাপ সামলানো সম্ভব নয়।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঢাকার মিরপুর সার্কেল ও এপিবিএন পল্লবী এলাকায় প্রতিদিন তিন হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোগত সংকটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে সেবাগ্রহীতাদের। এ সুযোগে দালালচক্র সক্রিয় হয়ে উঠছে।
এতে বলা হয়, বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল–১ এ পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস কার্যক্রম চালু করেছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ ব্যবস্থা চালু হলে সেবার গতি বাড়বে।
চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা গেলে ফিটনেস ও লাইসেন্স সরবরাহের দায়িত্ব বেসরকারি খাতে দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন