বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ জরুরি বৈঠক করেছে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর বসুন্ধরায় আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা অংশ নেন।
বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নেতারা জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি প্রদান এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। জামায়াত নির্বাচনের আগে সকল রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ এবং পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে।
এর আগে রোববার (৩১ আগস্ট) দেশের প্রধান তিনটি দল বিএনপি জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা জাতির জন্য বিপজ্জনক হবে বলে মন্তব্য করেন ড. ইউনূস। তিনি বলেছেন, ‘কেউ যদি নির্বাচনের কোনো বিকল্প নিয়ে ভাবে, সেটা হবে এই জাতির জন্য গভীর বিপজ্জনক।’
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুলাই ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ চলাকালীন দুবার অসুস্থ হয়ে পড়েন জামায়াত আমির। পরবর্তীতে তাঁর হার্টে ব্লকেজ ধরা পরলে গত ২ আগস্ট রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি করা হয়। এরপর থেকেই গণমাধ্যমের আড়ালে ছিলেন তিনি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এসকে
বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নেতারা জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি প্রদান এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। জামায়াত নির্বাচনের আগে সকল রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ এবং পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে।
এর আগে রোববার (৩১ আগস্ট) দেশের প্রধান তিনটি দল বিএনপি জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা জাতির জন্য বিপজ্জনক হবে বলে মন্তব্য করেন ড. ইউনূস। তিনি বলেছেন, ‘কেউ যদি নির্বাচনের কোনো বিকল্প নিয়ে ভাবে, সেটা হবে এই জাতির জন্য গভীর বিপজ্জনক।’
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুলাই ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ চলাকালীন দুবার অসুস্থ হয়ে পড়েন জামায়াত আমির। পরবর্তীতে তাঁর হার্টে ব্লকেজ ধরা পরলে গত ২ আগস্ট রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি করা হয়। এরপর থেকেই গণমাধ্যমের আড়ালে ছিলেন তিনি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এসকে