ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ১০ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেল। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সংসদ নির্বাচনে সবার আগে ইশতেহার ঘোষণা করল তারা।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ঢাবির কলাভবনের সামনে বটতলায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান লিখিত ইশতেহার পাঠ করেন।
ছাত্রদলের ঘোষিত ১০ দফা ইশতেহার—
১। শিক্ষা ও গবেষণাকে প্রাধান্য দিয়ে আধুনিক, আনন্দময়, বসবাসযোগ্য ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা।
২। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস, নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি।
৩। শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য বীমা নিশ্চিত করা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা গ্রহণ ও চলাচল সহজতর করা।
৪। কারিকুলাম, অবকাঠামো ও পরীক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং গবেষণার মানোন্নয়ন।
৫। পরিবহন ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ, ব্যাটারিচালিত শাটল সার্ভিস প্রচলন এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করা।
৬। হয়রানি মুক্ত প্রশাসনিক সেবা, শিক্ষা ঋণ এবং ক্যাম্পাসভিত্তিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা।
৭। তরুণদের গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত করা এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি।
৮। শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল সুবিধা, সাইবার সিকিউরিটি এবং সাইবার বুলিং প্রতিরোধ।
৯। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন ও প্রাণী বান্ধব ক্যাম্পাস তৈরি।
১০। কার্যকর ডাকসু এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন/এসকে
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ঢাবির কলাভবনের সামনে বটতলায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান লিখিত ইশতেহার পাঠ করেন।
ছাত্রদলের ঘোষিত ১০ দফা ইশতেহার—
১। শিক্ষা ও গবেষণাকে প্রাধান্য দিয়ে আধুনিক, আনন্দময়, বসবাসযোগ্য ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা।
২। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস, নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি।
৩। শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য বীমা নিশ্চিত করা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা গ্রহণ ও চলাচল সহজতর করা।
৪। কারিকুলাম, অবকাঠামো ও পরীক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং গবেষণার মানোন্নয়ন।
৫। পরিবহন ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ, ব্যাটারিচালিত শাটল সার্ভিস প্রচলন এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করা।
৬। হয়রানি মুক্ত প্রশাসনিক সেবা, শিক্ষা ঋণ এবং ক্যাম্পাসভিত্তিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা।
৭। তরুণদের গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত করা এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি।
৮। শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল সুবিধা, সাইবার সিকিউরিটি এবং সাইবার বুলিং প্রতিরোধ।
৯। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন ও প্রাণী বান্ধব ক্যাম্পাস তৈরি।
১০। কার্যকর ডাকসু এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন/এসকে