ঢাকা শহরের চিরচেনা যানজট কমাতে দুই সিটি করপোরেশনে নতুন ডাইভারশন পদ্ধতি চালু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এই নতুন পদ্ধতি চালু হওয়ার পর জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন, এটি যানজট নিরসনে সহায়ক, আবার কেউ বলছেন পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ জানাচ্ছে, যত্রতত্র পার্কিং এবং মূল সড়কে রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে এলে ডাইভারশনের সুফল আরও স্পষ্টভাবে মিলবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সড়কের অবকাঠামো ঠিক না হলে এমন পরিকল্পনা কার্যকর হবে না।
বিগত ছয় মাসে দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬৯টি নতুন ডাইভারশন চালু করেছে ডিএমপি। এর মধ্যে বিজয় সরণি, নিউমার্কেট, কারওয়ান বাজার, গুলিস্তান, তেজগাঁও, বনানী ও মানিক মিয়া এভিনিউসহ কয়েকটি এলাকায় পরিবর্তন এসেছে।
মগবাজার এলাকায় ডাইভারশনের কারণে পথচারীরা আরও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ঘুরপথে গন্তব্যে যেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক চালক ও যাত্রী বলছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরেনি, যানজটও কমেনি। বরং দীর্ঘ পথ ঘুরে আসার কারণে ভোগান্তি বেড়েছে।
তবে ট্রাফিক সদস্যরা দাবি করছেন, আগের তুলনায় যানজট কিছুটা কমেছে। বাম পাশের লেনে আগে সব রুটের গাড়ি সিগন্যালের সামনে আটকে থাকলেও এখন বাম পাশের লেনের গাড়িগুলো শুধু ডান পাশে ঘুরে যেতে হয়, বাকি বাম এবং সোজা রুটের গাড়িগুলো নিজের গন্তব্যে অবাধে যেতে পারছে। আগে সিগন্যালের কারণে অনেক সময় ব্যয় হতো, এখন কিছুটা ঘুরতে হলেও সময় কম লাগছে। যত্রতত্র পার্কিং ও রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হলে পুরো সুফল পাওয়া সম্ভব হবে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, প্রতিটি পয়েন্টেই ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। তবে দুই-একটি পয়েন্টে সমস্যা হতে পারে। সমস্যা দেখা দিলে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে তা সমাধান করা হবে। যারা নিয়ম মানবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সড়কের অবকাঠামো ঠিক করেই এমন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলছেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুল হক। তিনি বলেন, ঢাকার ওভার স্যাচুরেটেড অবস্থা বিবেচনায় না নিলে ডাইভারশন পদ্ধতি হিতে বিপরীত হতে পারে। যেখানে ডাইভারশন করা হয়েছে, সেখানেও গাড়ি থাকবে এবং সেই এলাকার অবকাঠামো পরিকল্পিত না থাকলে যানজট কমানো সম্ভব হবে না। রাস্তা বা মোড়ের হ্যান্ডলিং ক্যাপাসিটি থেকে বেশি ট্রাফিক প্রবাহিত হলে এই পদ্ধতি কার্যকর হবে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বিগত ছয় মাসে দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬৯টি নতুন ডাইভারশন চালু করেছে ডিএমপি। এর মধ্যে বিজয় সরণি, নিউমার্কেট, কারওয়ান বাজার, গুলিস্তান, তেজগাঁও, বনানী ও মানিক মিয়া এভিনিউসহ কয়েকটি এলাকায় পরিবর্তন এসেছে।
মগবাজার এলাকায় ডাইভারশনের কারণে পথচারীরা আরও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ঘুরপথে গন্তব্যে যেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক চালক ও যাত্রী বলছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরেনি, যানজটও কমেনি। বরং দীর্ঘ পথ ঘুরে আসার কারণে ভোগান্তি বেড়েছে।
তবে ট্রাফিক সদস্যরা দাবি করছেন, আগের তুলনায় যানজট কিছুটা কমেছে। বাম পাশের লেনে আগে সব রুটের গাড়ি সিগন্যালের সামনে আটকে থাকলেও এখন বাম পাশের লেনের গাড়িগুলো শুধু ডান পাশে ঘুরে যেতে হয়, বাকি বাম এবং সোজা রুটের গাড়িগুলো নিজের গন্তব্যে অবাধে যেতে পারছে। আগে সিগন্যালের কারণে অনেক সময় ব্যয় হতো, এখন কিছুটা ঘুরতে হলেও সময় কম লাগছে। যত্রতত্র পার্কিং ও রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হলে পুরো সুফল পাওয়া সম্ভব হবে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, প্রতিটি পয়েন্টেই ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। তবে দুই-একটি পয়েন্টে সমস্যা হতে পারে। সমস্যা দেখা দিলে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে তা সমাধান করা হবে। যারা নিয়ম মানবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সড়কের অবকাঠামো ঠিক করেই এমন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলছেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুল হক। তিনি বলেন, ঢাকার ওভার স্যাচুরেটেড অবস্থা বিবেচনায় না নিলে ডাইভারশন পদ্ধতি হিতে বিপরীত হতে পারে। যেখানে ডাইভারশন করা হয়েছে, সেখানেও গাড়ি থাকবে এবং সেই এলাকার অবকাঠামো পরিকল্পিত না থাকলে যানজট কমানো সম্ভব হবে না। রাস্তা বা মোড়ের হ্যান্ডলিং ক্যাপাসিটি থেকে বেশি ট্রাফিক প্রবাহিত হলে এই পদ্ধতি কার্যকর হবে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন