জামিন পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দীর্ঘ শুনানির পর কলম্বোর ফোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট নীলুপুলি লঙ্কাপুরা তাঁকে পাঁচ মিলিয়ন রুপি (প্রায় ১৬ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার) বন্ডে (ঋণচুক্তিতে) মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন। খবর এএফপির।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) গ্রেপ্তারের পর তীব্র পানিশূন্যতা ও অসুস্থতার কারণে বিক্রমাসিংহেকে প্রথমে কারাগারের হাসপাতালে ও পরে দেশের প্রধান সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।
মঙ্গলবার বিক্রমাসিংহে হাসপাতালের বিছানা থেকে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে জামিন শুনানিতে অংশ নেন। বিচারক তাঁর পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) তারিখ ধার্য করেছেন।
৭৬ বছর বয়সী বিক্রমাসিংহেকে ২০২৩ সালে হাভানার জি৭৭ শীর্ষ সম্মেলন ও নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগদানের পর ব্রিটেনে ব্যক্তিগত সফরের জন্য ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার সরকারি তহবিল ব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে বিক্রমাসিংহে বরাবরই দাবি করে আসছেন, তার স্ত্রীর ব্যক্তিগত সফরের খরচ তিনি নিজেই বহন করেছিলেন, এর জন্য কোনো রাষ্ট্রীয় তহবিল ব্যবহার করা হয়নি।
এদিকে, রনিল বিক্রমাসিংহের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আদালতের বাইরে শত শত সমর্থক বিক্ষোভ করেন। দাঙ্গা পুলিশ তাদের বাধা দেয় ও জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
বিক্রমাসিংহের দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি) দাবি করেছে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিশানায়েকের সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, বিক্রমাসিংহে রাজনৈতিকভাবে আবারও সক্রিয় হতে পারেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এএ/এসকে
শুক্রবার (২২ আগস্ট) গ্রেপ্তারের পর তীব্র পানিশূন্যতা ও অসুস্থতার কারণে বিক্রমাসিংহেকে প্রথমে কারাগারের হাসপাতালে ও পরে দেশের প্রধান সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।
মঙ্গলবার বিক্রমাসিংহে হাসপাতালের বিছানা থেকে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে জামিন শুনানিতে অংশ নেন। বিচারক তাঁর পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) তারিখ ধার্য করেছেন।
৭৬ বছর বয়সী বিক্রমাসিংহেকে ২০২৩ সালে হাভানার জি৭৭ শীর্ষ সম্মেলন ও নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগদানের পর ব্রিটেনে ব্যক্তিগত সফরের জন্য ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার সরকারি তহবিল ব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে বিক্রমাসিংহে বরাবরই দাবি করে আসছেন, তার স্ত্রীর ব্যক্তিগত সফরের খরচ তিনি নিজেই বহন করেছিলেন, এর জন্য কোনো রাষ্ট্রীয় তহবিল ব্যবহার করা হয়নি।
এদিকে, রনিল বিক্রমাসিংহের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আদালতের বাইরে শত শত সমর্থক বিক্ষোভ করেন। দাঙ্গা পুলিশ তাদের বাধা দেয় ও জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
বিক্রমাসিংহের দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি) দাবি করেছে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিশানায়েকের সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, বিক্রমাসিংহে রাজনৈতিকভাবে আবারও সক্রিয় হতে পারেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এএ/এসকে