ভ্যাট ফাঁকি ও বিভিন্ন খাতে অব্যাহতির কারণে ২০২২-২৩ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে বলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) এক গবেষণায় উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বেসরকারি এই গবেষণা সংস্থা তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
সিপিডি’র জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী তামীম আহমেদ বলেন, আমাদের হিসাব অনুযায়ী, ভ্যাটের কার্যকর গড় হার ১১.৭ শতাংশ। যদি এই হার অনুযায়ী ভ্যাট আদায় করা যেত, তাহলে ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারের কোষাগারে ৩ লাখ ২০ হাজার ১১৭ কোটি টাকা আসার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এনবিআর আদায় করেছে মাত্র ১ লাখ ৩২ হাজার ০৩৬ কোটি টাকা। বাকি অর্থ কর ফাঁকি এবং ভ্যাট অব্যাহতির কারণে সরকার হারিয়েছে বলে গবেষণায় জানানো হয়।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, করপোরেট করের ক্ষেত্রে ৭২ শতাংশ কোম্পানি মনে করে, কর কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এছাড়া, ৮২ শতাংশ কোম্পানি মনে করে তাদের ওপর ‘অন্যায্য’ হারে কর বসানো হয়েছে এবং ৭৯ শতাংশ কোম্পানি এনবিআর কর্মকর্তাদের ‘জবাবদিহিতার অভাবকে’ তাদের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এনবিআরের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের তথ্য নিয়ে গবেষণা করার বিষয়ে মন্তব্য করা হলে সিপিডি'র গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, তারা তথ্য চেয়ে এনবিআর থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা পাননি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এএ/এসকে
সিপিডি’র জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী তামীম আহমেদ বলেন, আমাদের হিসাব অনুযায়ী, ভ্যাটের কার্যকর গড় হার ১১.৭ শতাংশ। যদি এই হার অনুযায়ী ভ্যাট আদায় করা যেত, তাহলে ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারের কোষাগারে ৩ লাখ ২০ হাজার ১১৭ কোটি টাকা আসার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এনবিআর আদায় করেছে মাত্র ১ লাখ ৩২ হাজার ০৩৬ কোটি টাকা। বাকি অর্থ কর ফাঁকি এবং ভ্যাট অব্যাহতির কারণে সরকার হারিয়েছে বলে গবেষণায় জানানো হয়।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, করপোরেট করের ক্ষেত্রে ৭২ শতাংশ কোম্পানি মনে করে, কর কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এছাড়া, ৮২ শতাংশ কোম্পানি মনে করে তাদের ওপর ‘অন্যায্য’ হারে কর বসানো হয়েছে এবং ৭৯ শতাংশ কোম্পানি এনবিআর কর্মকর্তাদের ‘জবাবদিহিতার অভাবকে’ তাদের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এনবিআরের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের তথ্য নিয়ে গবেষণা করার বিষয়ে মন্তব্য করা হলে সিপিডি'র গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, তারা তথ্য চেয়ে এনবিআর থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা পাননি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এএ/এসকে