ছাব্বির হোসেন নামের এক যুবককে প্রকাশ্য দিবালকে হত্যার দায়ে সিরাজগঞ্জে সাত জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কানিজ ফাতেমা আসামীদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া গ্রামের মো. ওয়াজ আলী, মো. কুন্নু, মো. হামিদ, মো. আরশেদ আলী, মো. আব্দুস সামাদ, মো. ইদ্রিস আলী ও মো. সেলিম রেজা। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. গোলাম সরওয়ার খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৩ বছর পরে শুনানি শেষে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আরও কয়েকজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।”
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাদী মো. ওসমান গণির সাথে আসামিদের পূর্ব থেকে বিরোধ ছিল। এর জেরে ২০১২ সালের ২৩ আগস্ট সকালে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে তার পরিবারের ওপর হামলা চালায়। সেসময় ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে বাদী ও তার স্বজনদের ওপর আঘাত করা হয়। এতে বাদীর ছেলে ছাব্বির হোসেন গুরুতর জখম হন এবং বগুড়া হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
একই ঘটনায় বাদীর ভাই আব্দুল মতিন, কোরবান আলী, রমজান আলী, খালাতো ভাই আনিছ ও আত্মীয় তৈয়ব আলীও গুরুতর আহত হন। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দীর্ঘ ১৩ বছর পরে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কানিজ ফাতেমা আসামীদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া গ্রামের মো. ওয়াজ আলী, মো. কুন্নু, মো. হামিদ, মো. আরশেদ আলী, মো. আব্দুস সামাদ, মো. ইদ্রিস আলী ও মো. সেলিম রেজা। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. গোলাম সরওয়ার খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৩ বছর পরে শুনানি শেষে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আরও কয়েকজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।”
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাদী মো. ওসমান গণির সাথে আসামিদের পূর্ব থেকে বিরোধ ছিল। এর জেরে ২০১২ সালের ২৩ আগস্ট সকালে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে তার পরিবারের ওপর হামলা চালায়। সেসময় ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে বাদী ও তার স্বজনদের ওপর আঘাত করা হয়। এতে বাদীর ছেলে ছাব্বির হোসেন গুরুতর জখম হন এবং বগুড়া হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
একই ঘটনায় বাদীর ভাই আব্দুল মতিন, কোরবান আলী, রমজান আলী, খালাতো ভাই আনিছ ও আত্মীয় তৈয়ব আলীও গুরুতর আহত হন। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দীর্ঘ ১৩ বছর পরে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন