সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ এক পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা সীমান্ত থেকে তাকে আটক করা হয়।
ভারতীয় সংবামাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে হাকিমপুর সীমান্ত ফাঁড়ির কাছে বিএসএফ সদস্যরা ওই বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করেন। পরে প্রটোকল অনুযায়ী তাকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জানা গেছে, আটক বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তার নাম- মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান। তিনি ছিলেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের ২ নম্বর ব্যাটালিয়নে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি)।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকেই আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ পুলিশ অফিসারদের মধ্যে নেমে আসে ধরপাকড়ের আতঙ্ক। সেই আতঙ্কেই সীমান্ত পেরিয়ে আরিফুজ্জামান লুকিয়ে পড়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগণার স্বরূপনগরের হাকিমপুরের তেঁতুলিয়ায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে। কিন্তু গোপন খবর পেয়ে বিএসএফের বিশেষ গোয়েন্দা শাখা তাকে আটক করে। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর রাতে তাকে স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে গত ১৭ আগস্ট তাকে সাসপেন্ড করে দেয়।
এদিকে, ওই পুলিশকর্তার গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ এক শীর্ষ পুলিশ অফিসারের এমনভাবে ধরা পড়া এবার নতুন মোড় আনতে পারে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুন মাসেই একই জেলার জগদ্দল থেকে হাসান আরাফাত আবিদ নামে আরও এক বাংলাদেশি পুলিশ সুপার ও দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করা হয়। তবে বৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এসকে
ভারতীয় সংবামাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে হাকিমপুর সীমান্ত ফাঁড়ির কাছে বিএসএফ সদস্যরা ওই বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করেন। পরে প্রটোকল অনুযায়ী তাকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জানা গেছে, আটক বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তার নাম- মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান। তিনি ছিলেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের ২ নম্বর ব্যাটালিয়নে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি)।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকেই আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ পুলিশ অফিসারদের মধ্যে নেমে আসে ধরপাকড়ের আতঙ্ক। সেই আতঙ্কেই সীমান্ত পেরিয়ে আরিফুজ্জামান লুকিয়ে পড়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগণার স্বরূপনগরের হাকিমপুরের তেঁতুলিয়ায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে। কিন্তু গোপন খবর পেয়ে বিএসএফের বিশেষ গোয়েন্দা শাখা তাকে আটক করে। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর রাতে তাকে স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে গত ১৭ আগস্ট তাকে সাসপেন্ড করে দেয়।
এদিকে, ওই পুলিশকর্তার গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ এক শীর্ষ পুলিশ অফিসারের এমনভাবে ধরা পড়া এবার নতুন মোড় আনতে পারে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুন মাসেই একই জেলার জগদ্দল থেকে হাসান আরাফাত আবিদ নামে আরও এক বাংলাদেশি পুলিশ সুপার ও দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করা হয়। তবে বৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এসকে